রংপুর মহানগরের কামাল কাছনা মাছুয়াপাড়া গ্রামে এক ভয়াবহ ঘটনায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকসহ তাঁর পরিবারের চার সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃতদের পরিচয় পাওয়া গেছে—রংপুর জিলা স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), কন্যা আগামী চক্রবর্তী (২৮) এবং পুত্র আয়ুশ চক্রবর্তী (১৪)। শনিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে স্থানীয় বাসিন্দা এবং পুলিশ তাঁদের লাশের সন্ধান পান।

ঘটনাটি ঘটেছে ওই এলাকার একটি তিনতলা ভবনের দ্বিতীয় তলায়, যেখানে এই পরিবারটি বসবাস করত। পুলিশ ও সিআইডির প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, পুরো ভবনে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছিল, যা থেকে ধারণা করা হয় মৃত্যু occurred কয়েক দিন আগে। কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম নাজমুল কাদেরের মতে, এই নৃশংস ঘটনাটি সম্ভবত দুই থেকে তিন দিন আগে ঘটেছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর রংপুর সিআইডির দায়িত্বরত ইনচার্জ সুমিত চৌধুরী রাত ১টার দিকে সংবাদমাধ্যমকে জানান, প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে একে ডাকাতিজনিত অপরাধ বলে মনে হচ্ছে। তিনি জানান, বাড়ির বৈদ্যুতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল এবং অর্থ বা মূল্যবান সম্পদ রাখার স্থানগুলো অগোছালোভাবে ভেঙে ফেলা হয়েছে। এছাড়া নিহতদের গলায় রশি বা গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে সিআইডি এবং মহানগর পুলিশ পুরো ভবনটি ঘিরে রেখে বিস্তারিত তদন্ত চালাচ্ছে। রংপুর সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক আবু হাসান কবির চারজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।