হাইকোর্ট আজ বৃহস্পতিবার ‘পুরুষ নির্যাতন দমন ও প্রতিরোধ আইন’ নামে একটি পৃথক আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে দায়ের করা রিট খারিজ করে দিয়েছেন। বিচারপতি রাজিক-আল-জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। রিটটি গত মে মাসে করেছিলেন বাটারফ্লাই হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী কাজী ইলিয়াসুর রহমান এবং সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মো. খলিলুর রহমান। রিটের পক্ষে শুনানি পরিচালনা করেন আইনজীবী কাজী ইলিয়াসুর রহমান নিজেই। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. জসিদুল ইসলাম জনি। শুনানির পর আইনজীবী কাজী ইলিয়াসুর রহমান জানান, আদালত রিটটি খারিজ করে দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, এই আদেশের বিরুদ্ধে তারা আপিল বিভাগে আবেদন করবেন। রিটের আবেদনে উল্লেখ করা হয়, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং যৌতুক আইনের অপব্যবহারের কারণে পুরুষরা অযথা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। তাদের সুরক্ষার জন্য ‘পুরুষ নির্যাতন দমন ও প্রতিরোধ আইন’ নামে নতুন আইন প্রণয়নে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা ও ব্যর্থতা কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না—এ বিষয়ে রুল চাওয়া হয়েছিল। একইসঙ্গে পুরুষদের অপ্রয়োজনীয় হয়রানি থেকে সুরক্ষা নিশ্চিতে নতুন আইন প্রণয়নের নির্দেশনা কেন দেওয়া হবে না—সেটিও রুলের মাধ্যমে জানতে চাওয়া হয়। এছাড়া রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের অপব্যবহার রোধে অন্তর্বর্তী নির্দেশনা চাওয়া হয়েছিল রিটে। রিটে বিবাদী করা হয় মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, আইনসচিব ও আইন কমিশনের চেয়ারম্যানকে।