সেনেগাল ফুটবল ফেডারেশনের প্রধান আবদুলায়ে ফল একটি চমকপ্রদ তথ্য প্রকাশ করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, সম্প্রতি তারা আবিষ্কার করেছেন যে জাতীয় পুরুষ ফুটবল দলের প্রধান চিকিৎসক ফেদিওর আসলে একজন নারী রোগ বিশেষজ্ঞ, অর্থাৎ গাইনোকলজিস্ট। অথচ ফেদিওর ২০১৭ সাল থেকে সেনেগাল দলের সঙ্গে যুক্ত। এই সময়কালে তিনি তিনটি বিশ্বকাপ ও পাঁচটি আফ্রিকান কাপ অব নেশনসে দায়িত্ব পালন করেছেন।

ফলের ভাষ্য অনুযায়ী, ফেদিওরের কাছে অ্যাথলেটদের শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসা তদারকির জন্য প্রয়োজনীয় একাডেমিক যোগ্যতা বা স্পোর্টস মেডিসিনের ব্যাকগ্রাউন্ড ছিল না। তিনি বলেন, 'খেলোয়াড়দের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যে স্পষ্ট যে তাঁর ওপর দলের পূর্ণ আস্থা ছিল না। বিশ্বকাপ চলাকালে খেলোয়াড়দের আশ্বস্ত করতে এবং তাদের স্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে জরুরি ভিত্তিতে অন্য স্পোর্টস মেডিসিন বিশেষজ্ঞ দলের সঙ্গে যুক্ত করতে হয়েছিল।'

তবে সেনেগালিজ অ্যাসোসিয়েশন অব স্পোর্টস মেডিসিন ফলের এই মন্তব্যকে 'ভিত্তিহীন ও মানহানিকর' বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংস্থাটি ফেদিওরের পক্ষে অবস্থান নিয়ে বলেছে যে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সঠিক নয়।

এবারের বিশ্বকাপে সেনেগাল দল নানা অভ্যন্তরীণ সমস্যায় জর্জরিত ছিল। বকেয়া বেতন ও লজিস্টিক সমস্যার কথা বিশ্বকাপ চলাকালেই সামনে আসে। টুর্নামেন্ট শেষে দলের কোচকে বরখাস্ত করা হয়। শেষ ৩২-এর ম্যাচে বেলজিয়ামের বিপক্ষে ২-০ গোলে এগিয়ে গিয়েও শেষ পর্যন্ত ৩-২ ব্যবধানে হেরে ছিটকে যায় সেনেগাল। বিদায়ের পর এই গাইনোকলজি বিতর্ক দেশটির ফুটবলকে আরও বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলেছে।