বাজারের চিপস দিয়ে সহজেই ঘরে বসে তৈরি করা যায় স্বাদে ভরপুর চিপস মাখানো। এই পদটি তৈরিতে প্রয়োজন হবে এক প্যাকেট আলুর চিপস, দুই টেবিল চামচ পেঁয়াজকুচি, এক থেকে দুটি কাঁচা মরিচ কুচি, দুই টেবিল চামচ ধনেপাতা কুচি, আধা চা-চামচ বিট লবণ, আধা চা-চামচ ভাজা জিরাগুঁড়া, আধা চা-চামচ চাট মসলা (ঐচ্ছিক), স্বাদমতো লাল মরিচের গুঁড়া বা চিলি ফ্লেক্স, এক থেকে দুই চা-চামচ লেবুর রস, আধা চা-চামচ শর্ষের তেল (ঐচ্ছিক), টমেটোকুচি (বীজ ফেলে দেওয়া), সেদ্ধ ছোলা, ভাজা চিনাবাদাম এবং ঝুরা চিজ। পদ্ধতি অত্যন্ত সহজ। শুরুতে একটি বড় বাটিতে পেঁয়াজকুচি, কাঁচা মরিচকুচি, ধনেপাতাকুচি, বিট লবণ, ভাজা জিরাগুঁড়া, চাট মসলা, লাল মরিচের গুঁড়া বা চিলি ফ্লেক্স এবং লেবুর রস একসঙ্গে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। ইচ্ছা করলে এই মিশ্রণে সামান্য শর্ষের তেলও যোগ করা যেতে পারে। এরপর এতে আলুর চিপস দিয়ে অত্যন্ত সাবধানে ও হালকা হাতে মাখিয়ে নিন, যাতে চিপস ভেঙে না যায়। আরও মজাদার করতে চাইলে টমেটোকুচি, সেদ্ধ ছোলা, ভাজা চিনাবাদাম, ঝুরা চিজ বা বিভিন্ন স্বাদের চিপস মিশিয়ে দিতে পারেন। মাখানো সম্পন্ন হলে সঙ্গে সঙ্গেই এটি পরিবেশন করা উচিত, কারণ কিছুক্ষণ পরেই চিপস নরম হয়ে যেতে পারে।

অন্যদিকে, খাদ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিম সেদ্ধ করে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে না খেলে তা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। সাধারণত সেদ্ধ ডিম ঘরের তাপমাত্রায় দুই ঘণ্টার বেশি রাখা উচিত নয়। ফ্রিজে রাখলেও সেদ্ধ ডিমের খোসা ছাড়ানো অবস্থায় সাত দিন পর্যন্ত নিরাপদে সংরক্ষণ করা যায়। তবে খোসা ফাটা বা সংরক্ষণের সময় ডিমের গন্ধ বা চেহারা পরিবর্তন হলে তা না খাওয়াই ভালো। দীর্ঘ সময় ধরে সংরক্ষিত সেদ্ধ ডিমে ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে, যা খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণ হতে পারে। তাই ডিম সেদ্ধ করার পর দ্রুত খেয়ে ফেলা বা সঠিক তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়।