অনলাইন শপিংয়ের ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) চালিত এজেন্টরা ক্রমশ প্রধান প্রবেশদ্বার হয়ে উঠছে। এই পরিবর্তনের কারণে ভোক্তাদের সুরক্ষার জন্য নতুন ফেডারেল নির্দেশিকা প্রয়োজন কিনা, তা নিয়ে নীতি নির্ধারকদের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ওয়াশিংটনের নজরদারি সংস্থাগুলো বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছে।

এআই এজেন্টরা যখন খুচরা বাণিজ্যের মুখ্য মাধ্যম হয়ে উঠছে, তখন গ্রাহকদের তথ্য গোপনীয়তা, প্রতারণা প্রতিরোধ এবং সঠিক পণ্যের তথ্য প্রদানের মতো বিষয়গুলো নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বর্তমানে বিদ্যমান নিয়মকানুনগুলো এই নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মেলাতে ব্যর্থ হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এআই চালিত শপিং প্ল্যাটফর্মগুলোতে গ্রাহকদের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতি এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে। ফলে, অনেক গ্রাহকই অজান্তেই পক্ষপাতদুষ্ট বা বিভ্রান্তিকর সুপারিশের শিকার হচ্ছেন।

নীতি নির্ধারকদের একটি অংশ মনে করছেন, এআই এজেন্টদের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে কঠোর নির্দেশিকা জারি করা জরুরি। অন্যদিকে, প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো যুক্তি দিচ্ছে যে অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ উদ্ভাবন ও প্রতিযোগিতায় বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

ওয়াশিংটনের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো বর্তমানে বিভিন্ন খুচরা বিক্রেতা ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করছে। আশা করা হচ্ছে, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এই বিষয়ে একটি খসড়া প্রস্তাবনা প্রকাশিত হতে পারে।

সামগ্রিকভাবে, এআই যুগে খুচরা বাণিজ্যের এই নতুন রূপ গ্রাহক সুরক্ষার ঐতিহ্যবাহী ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করছে। নীতিনির্ধারকদের জন্য এখন সময় এসেছে এমন একটি কাঠামো তৈরি করার যা প্রযুক্তির সুবিধা বজায় রেখে ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষা করতে পারে।