চলমান গ্রীষ্মে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে তাপমাত্রা রেকর্ড ছাড়িয়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। এরই মধ্যে জ্বালানি খরচের বাড়তি বোঝা যে কতটা গভীরভাবে পণ্যের দামে প্রভাব ফেলেছে, তা সামনে আসবে জার্মানির মুদ্রাস্ফীতির সর্বশেষ পরিসংখ্যানের মাধ্যমে। একইসঙ্গে যুক্তরাজ্যের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন (জিডিপি) সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ পেলে জানা যাবে, উচ্চ ব্যয়ের ধাক্কায় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
উল্লেখ্য, মাসখানেক ধরে জ্বালানি খরচের ঊর্ধ্বগতি ইউরোপীয় অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, জার্মানির মতো শিল্পোন্নত দেশে মূল্যস্ফীতির হার বৃদ্ধি পেলে তা সমগ্র ইউরোজোনের নীতিনির্ধারকদের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়াবে। অন্যদিকে, যুক্তরাজ্যের জিডিপি পরিসংখ্যানে যদি মন্দার লক্ষণ দেখা যায়, তাহলে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে।
তবে এখনই হাল ছাড়ছেন না নীতিনির্ধারকরা। দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি সরবরাহের বিকল্প উৎস খুঁজে বের করা এবং ভোক্তাদের সুরক্ষায় নানা পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা চলছে। তবুও, রেকর্ড তাপপ্রবাহের কারণে বিদ্যুতের চাহিদা যেভাবে বেড়েছে, তাতে সামনের দিনগুলোতে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বাজার বিশ্লেষকদের দৃষ্টি এখন সরকারি পরিসংখ্যানগুলোর দিকে, যা অর্থনীতির প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দেবে।




