২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করেছে অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ৪ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ঢাকা ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হবে। অন্যদিকে, স্নাতক পর্যায়ের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ৫ ডিসেম্বর রাজধানীর বিএএফ শাহীন কলেজ এবং লালমনিরহাটের স্থায়ী ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হবে।

এই বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক স্তরে শিক্ষার্থীরা চারটি চার বছর মেয়াদি সম্মান শ্রেণিতে ভর্তির সুযোগ পাবেন। বিষয়গুলো হলো— বিএসসি ইন অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং, বিএসসি ইন অ্যাভিওনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং, বিএসসি ইন এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ারিং (অ্যারোস্পেস) এবং বিএসসি ইন এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ারিং (অ্যাভিওনিক্স)। উল্লেখ্য যে, ২০২৫ সালে উচ্চমাধ্যমিকে উত্তীর্ণ প্রার্থীরা যোগ্যতা সাপেক্ষে দ্বিতীয়বার আবেদনের সুযোগ পাবেন।

আবেদনের যোগ্যতার ক্ষেত্রে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য নির্দিষ্ট শর্ত রাখা হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড বা কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে গণিত, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নসহ বিজ্ঞান বিভাগে ২০২৩ বা ২০২৪ সালের এসএসসি পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ৪.৫০ এবং ২০২৫ বা ২০২৬ সালের এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ৪.৫০ পেয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে। বিদেশি শিক্ষা বোর্ডের ক্ষেত্রে সমতুল্য গ্রেডপ্রাপ্তরা আবেদন করতে পারবেন। এছাড়া GCE-O লেভেলের ৫টি বিষয়ে (পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, গণিত ও ইংরেজি সহ) ন্যূনতম B গ্রেড এবং GCE-A লেভেলের অন্তত ৩টি বিষয়ে (পদার্থবিদ্যা, রসায়ন ও গণিত) ন্যূনতম B গ্রেডপ্রাপ্তরা আবেদনের যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।

আবেদনকারীদের মধ্য থেকে যোগ্য প্রার্থী বাছাই করা হবে উচ্চমাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষায় পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও গণিত—এই তিন বিষয়ে প্রাপ্ত মোট নম্বরের ভিত্তিতে। যদি মোট নম্বর সমান হয়, তবে অগ্রাধিকারের ক্রমানুসারে প্রথমে গণিত, তারপর পদার্থবিজ্ঞান এবং সবশেষে রসায়নে প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনা করা হবে। ভর্তি পরীক্ষার জন্য আবেদন ফি নির্ধারিত হয়েছে ১০০০ টাকা। আবেদন প্রক্রিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (https://aaub.edu.bd/) এর মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে, যদিও বিস্তারিত প্রক্রিয়া এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

ভর্তি পরীক্ষাটি হবে মোট ১০০ নম্বরের। স্নাতক পর্যায়ের পরীক্ষায় গণিতে ৪০, পদার্থবিজ্ঞানে ৩০, রসায়নে ২০ এবং ইংরেজিতে ১০ নম্বর বরাদ্দ থাকবে। দুই ঘণ্টার এই পরীক্ষায় ৬০ নম্বরের নৈর্ব্যক্তিক এবং ৪০ নম্বরের লিখিত অংশ থাকবে। একইভাবে স্নাতকোত্তর পর্যায়ের ভর্তি পরীক্ষাও ১০০ নম্বরের হবে, যেখানে ৬০ নম্বরের নৈর্ব্যক্তিক ও ৪০ নম্বরের বর্ণনামূলক প্রশ্ন থাকবে এবং পরীক্ষার সময় হবে ২ ঘণ্টা। পরীক্ষার পাঠ্যসূচি জাতীয় শিক্ষাক্রমের উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও ইংরেজি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হবে।