সনি পিকচার্স জানিয়েছে, তাদের নতুন স্পাইডার-ম্যান চলচ্চিত্রটি যুক্তরাষ্ট্রের ঘরোয়া বক্স অফিসে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ ছবিটি এ পর্যন্ত দেশীয় বাজারে যে পরিমাণ আয় করেছে, তা আগের যেকোনো চলচ্চিত্রকে ছাড়িয়ে গেছে। এর আগে এই রেকর্ডটি ছিল ‘স্টার ওয়ার্স: দ্য ফোর্স অ্যাওয়েকেন্স’-এর দখলে।

বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান সনি পিকচার্সের তরফ থেকে বুধবার এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। সংস্থাটির দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, নতুন এই স্পাইডার-ম্যান ছবিটি ঘরোয়া বক্স অফিসে সর্বোচ্চ আয়ের তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করে নিয়েছে। এর মাধ্যমে ২০১৫ সালে মুক্তি পাওয়া ‘স্টার ওয়ার্স: দ্য ফোর্স অ্যাওয়েকেন্স’-এর দীর্ঘদিনের রেকর্ডটি ভেঙে গেল।

উল্লেখ্য, মার্ভেল কমিকসের জনপ্রিয় এই সুপারহিরো চরিত্রকে কেন্দ্র করে তৈরি ছবিটি মুক্তির পর থেকেই দর্শকদের ব্যাপক সাড়া পেয়েছে। সমালোচকদের প্রশংসার পাশাপাশি ব্যবসাসফলতাও পেয়েছে দারুণ। এখন পর্যন্ত ছবিটি বিশ্বজুড়ে যত আয় করেছে, তার একটি বড় অংশই এসেছে উত্তর আমেরিকার বক্স অফিস থেকে। সনি পিকচার্সের দাবি, এই সাফল্য প্রমাণ করে স্পাইডার-ম্যান ফ্র্যাঞ্চাইজি এখনও দর্শকদের কাছে সমান জনপ্রিয়।

বিশ্লেষকদের মতে, ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’-এর এই রেকর্ড ভাঙা সাফল্য হলিউডের বক্স অফিসের ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক। ছবিটির এই অর্জন আগামী দিনে আরও অনেক চলচ্চিত্রের জন্য একটি নতুন মানদণ্ড তৈরি করবে বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও মুদ্রাস্ফীতি এবং টিকিটের মূল্য বৃদ্ধির কারণে আয়ের তুলনা নিয়ে কিছু বিতর্ক থাকলেও, পরিসংখ্যান অনুযায়ী ছবিটি ঘরোয়া বাজারে সবচেয়ে বেশি ব্যবসা করেছে।

সনি পিকচার্স এই সাফল্য উদযাপন করতে চলেছে বিশেষ অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করছে বলে জানা গেছে। তবে তারা এখনই নতুন কোনো সিক্যুয়েলের ঘোষণা দেয়নি। ছবিটির পরিচালক এবং অভিনেতাদের সম্পর্কেও নতুন করে কিছু জানানো হয়নি। আপাতত দর্শকদের জন্য খবর হলো, স্পাইডার-ম্যানের নতুন অধ্যায়টি বক্স অফিসে যে দাপট দেখাল, তা সত্যিই অভাবনীয়।