শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ব্যাট এবং বল—উভয় বিভাগেই আধিপত্য বিস্তার করে সিরিজ জয় নিশ্চিত করল ইংল্যান্ড। কার্ডিফে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে লঙ্কানদের ৬ উইকেটে পরাজিত করে তিন ম্যাচের সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল তারা। প্রথম ম্যাচে ১১৯ রানের বিশাল জয় পাওয়ার পর দ্বিতীয় ম্যাচেও খুব একটা বেগ পেতে হয়নি ইংলিশদের।
টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নামা শ্রীলঙ্কার শুরুটা ছিল আশাব্যঞ্জক। ওপেনার পাথুম নিসাঙ্কা ঝড়ো ব্যাটিং শুরু করেন, যদিও অন্য প্রান্তের লাহিরু উদারা টাইমিংয়ে কিছুটা সমস্যায় ছিলেন। পাওয়ার প্লে-র প্রথম পাঁচ ওভারে তারা ৫৫ রান সংগ্রহ করে। তবে পাওয়ার প্লে-র শেষ ওভারে লিয়াম ডসনের প্রবেশে ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়। মিডঅনে জেমি ওভারটনের হাতে আউট হন উদারা (২১ রান)। ঠিক তার পরের বলে কামিল মিশারা বোলারকে ক্যাচ দিয়ে আউট হয়ে যান। এই ধাক্কায় লঙ্কান ব্যাটিং স্তিমিত হয়ে পড়ে। ২১ বলে ৩৭ রান করা নিসাঙ্কাকে বিদায় করেন ওভারটন। অধিনায়ক চারিথ আসালাঙ্কা ৩১ বলে ৩১ রান এবং ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ২২ বলে ২৭ রান করলেও শেষ দিকে বিপর্যয়ের মুখে পড়ে দল। শেষ ৪ ওভারে মাত্র ১২ রান যোগ করতে পারে তারা। ফলে ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৪৫ রানে থামে লঙ্কান ইনিংস। ইংল্যান্ডের হয়ে লিয়াম ডসন ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন।
১৪৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ইংল্যান্ডের টপ অর্ডার খুব দীর্ঘ সময় ব্যাটিংয়ে না থাকলেও দ্রুত রান তুলতে থাকে। আনাইরিন ডোনাল্ড ১৩ বলে ২১ এবং হ্যারি ব্রুক ৮ বলে ২৩ রান করেন। তবে এই ম্যাচের প্রধান আকর্ষণ ছিলেন জস বাটলার। ৩০ রানের একটি ক্যামিও ইনিংস খেলার পথে তিনি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ১৫ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। এরপর টম ব্যান্টনের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে জয় সহজ হয়ে যায়। জর্ডান কক্সের (১২ রান) সাথে চতুর্থ উইকেটে ২৪ বলে ৫৭ রানের জুটি গড়েন ব্যান্টন। শেষ পর্যন্ত ২৪ বলে ৫২ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন তিনি। ইংল্যান্ড ১২.১ ওভারেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করে, অর্থাৎ হাতে থাকে আরও ৪৭টি বল। আগামী রোববার ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে সিরিজের শেষ ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে।




