চট্টগ্রামের আনোয়ারায় রুস্তমহাট এলাকার একটি সেলুনে ঝুলন্ত অবস্থায় এক তরুণের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাত ১১টার দিকে বটতলীর রুস্তমহাটে এ ঘটনা ঘটে। নিহত তরুণের নাম নেপাল রবি দাশ, তিনি পূর্ব বটতলীর গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দা ও মৃত সুনীল রবি দাশের ছেলে। ছয় ভাইবোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার ছোট। নেপাল ও তার এক বড় ভাই মিলে রুস্তমহাটে একটি সেলুন পরিচালনা করতেন।
ঘটনার রাতে নেপালের ফেসবুক আইডি থেকে একটি পোস্ট করা হয় যাতে লেখা ছিল, ‘আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়, আমাকে সবাই ক্ষমা করবেন।’ পোস্টটি দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা নেপালের খোঁজ শুরু করে এবং পুলিশকে বিষয়টি জানায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখে সেলুনের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ। পরে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে ফ্যানের সঙ্গে গলায় রশি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় নেপালের মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাতের খাবার সেরে নেপাল সেলুনে যান। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। ময়নাতদন্তের জন্য তার লাশ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী জানান, খবর পেয়ে রাতেই তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং নেপালের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেন। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
স্থানীয় দোকানিদের সঙ্গে আলাপে জানা যায়, নেপাল ও তার ভাই দীর্ঘদিন ধরে সেলুনটি পরিচালনা করে আসছিলেন। রাতে হঠাৎ এমন ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নেপালের আকস্মিক মৃত্যুতে তার পরিবারের সদস্যরা শোকাহত।




