রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন সাবেক উপমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য আবদুল হাই। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৭৭ বছর। এই প্রয়াণে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এক শোকবার্তা প্রদান করেছেন।
শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, আবদুল হাই ছিলেন মহান মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে বিশ্বাসী একজন দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। ১৯৭১ সালে দেশের স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনার লড়াইয়ে তাঁর অবদান জাতি শ্রদ্ধার সাথে মনে রাখবে। তাঁর রাজনৈতিক জীবনজুড়ে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি অটল অঙ্গীকার স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং সাবেক উপমন্ত্রী হিসেবে দেশ ও গণতান্ত্রিক রাজনীতির প্রসারে তাঁর ভূমিকা স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে প্রধানমন্ত্রী জানান।
বিশেষ করে, শেখ হাসিনার দীর্ঘ ১৬ বছরের শাসনামলে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন এবং জনগণের ভোটাধিকার পুনর্প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে আবদুল হাইয়ের যে সাহসী ও সক্রিয় ভূমিকা ছিল, প্রধানমন্ত্রী তার কথা বিশেষভাবে স্মরণ করেন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের একজন ত্যাগী ও নিবেদিতপ্রাণ নেতা হিসেবে আবদুল হাইয়ের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দলের সাংগঠনিক ভিত মজবুত করতে এবং তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করার ক্ষেত্রে তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন। তাঁর প্রয়াণে দেশ একজন অভিজ্ঞ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে হারাল।
পরিশেষে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রয়াত আবদুল হাইয়ের আত্মার শান্তি কামনা করেন। একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্য, রাজনৈতিক সহকর্মী এবং তাঁর শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।




