আজ রোববার দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রকাশিত সংবাদে উঠে এসেছে অপরাধ, কৃষি সংকট, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, ক্রীড়া ও বিনোদনের নানা ঘটনা। প্রথমে আসা যাক রংপুরের ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের দিকে। নগরের কামালকাছনা এলাকার মাছুয়াপাড়ায় একই পরিবারের চার সদস্যকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী এবং দুই সন্তানকে হত্যার ঘটনায় দুজন তরুণকে আটক করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ বলেন, ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়াই ছিল এই নৃশংসতার মূল কারণ। হত্যার পর অপরাধীরা ঘরের জিনিসপত্র ছড়িয়ে রেখে ডাকাতির একটি মিথ্যা নাটক সাজানোর চেষ্টা চালায়, যাতে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করা যায়। এই ঘটনায় এলাকায় শোক ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
কৃষি খাতের সংকটের চিত্র ফুটে উঠেছে কুড়িগ্রামে। ভূরুঙ্গামারী উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নে রোববার বেলা ১১টার দিকে এক ডিলারের গুদাম ভেঙে কৃষকেরা ১৯৭ বস্তা ইউরিয়া সার নিয়ে যান। প্রতিটি বস্তায় ছিল ৫০ কেজি সার। দীর্ঘদিন ধরে সার না পেয়ে বারবার ঘুরে বেড়ানোর পর ক্ষুব্ধ কৃষকরা শেষ পর্যন্ত এই চরম পদক্ষেপ নেন। ঘটনাটি স্থানীয় প্রশাসনের নজরে এসেছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা চলছে।
আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের একটি ব্যর্থ প্রচেষ্টাও আজকের খবরে স্থান পেয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে কুয়েত সরকারকে ২০ টন মাছ পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু উড়োজাহাজ সংক্রান্ত জটিলতার কারণে কুয়েত কর্তৃপক্ষ সেই মাছ গ্রহণ করতে পারেনি। চার মাস অপেক্ষার পর এখন সেই মাছ নিলামে তোলা হচ্ছে। নিলামের তালিকায় রয়েছে ১০ টন গলদা চিংড়ি, পাশাপাশি পাঁচ টন করে বাগদা চিংড়ি ও রুপচাঁদা মাছ। এই ঘটনায় সরকারি উদ্যোগের সমন্বয়হীনতার প্রশ্ন উঠেছে।
ক্রীড়াঙ্গনে অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় টেস্ট জয় নিয়ে অধিনায়কের বক্তব্য গুরুত্ব পেয়েছে। ডারউইনে বাংলাদেশ দলের অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্সের পর—যেখানে ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে স্বাগতিকদের ৯ উইকেটে পরাজিত করা হয়—অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটাররা তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন। সেই পরাজয়ের ক্ষত ভুলে গিয়ে দ্বিতীয় টেস্টে জয়কে দলটি ‘আত্মসম্মানের ব্যাপার’ হিসেবে বিবেচনা করছে। অধিনায়ক বলেন, প্রথম টেস্টের হার সিরিজকে সমতায় নিয়ে গেলেও এই জয় দলকে নতুন মনোবল জুগিয়েছে।
বিনোদনের পাতায় পুরোনো একটি বিতর্ক নতুন করে জেগে উঠেছে। প্রয়াত বলিউড অভিনেত্রী মধুবালার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে তাঁর প্রাক্তন সম্পর্কের বিষয়টি আবার আলোচনায় এসেছে। প্রয়াত নির্মাতা ও চিত্রনাট্যকার কমল আমরোহির পুত্র তাজদার আমরোহি দাবি করেছেন, তাঁর বাবা ও মধুবালার সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পেছনে ছিল একটি কঠোর শর্ত। মধুবালা চেয়েছিলেন কমল আমরোহি তাঁর প্রথম স্ত্রীকে তালাক দিন। এই দাবিই শেষ পর্যন্ত সম্পর্কের অবসান ঘটায় বলে তাজদার আমরোহির বক্তব্য। এই খবর বিনোদন জগতে নতুন আলোচনা সৃষ্টি করেছে।



