রাসুল (সা.)-এর সম্মান, মর্যাদা ও শান রক্ষা করা প্রতিটি মুমিনের দায়িত্ব বলে মনে করেন হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমান। শনিবার বিকেলে ফেনী শহরের মিজান ময়দানে অনুষ্ঠিত 'শানে রেসালত' সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, দেশে যতক্ষণ কওমি মাদ্রাসার অস্তিত্ব থাকবে, ততক্ষণ রাসুল (সা.)-এর প্রতি কোনো ধরনের অবমাননাকর মন্তব্য বা কটূক্তি বরদ করা হবে না। একইসাথে তাঁর শানের প্রতি দৃঢ় ঈমান আনার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন তিনি।
সম্মেলনের এক পর্যায়ে মাওলানা সাজিদুর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষিকার তীব্র সমালোচনা করেন। ওই শিক্ষিকা হিজাব নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে মহাসচিব দাবি করেন, ওই শিক্ষিকাকে কেবল সাময়িক কার্যক্রম থেকে বিরত রাখলে চলবে না, বরং তাঁকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা উচিত।
হেফাজতে ইসলামের ফেনী জেলা সভাপতি মাওলানা আফজালুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং জেলা সেক্রেটারি মাওলানা ওমর ফারুকের সঞ্চালনায় এই বিশেষ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক, হাটহাজারী মাদ্রাসার মহাপরিচালক খলিল আহমদ কোরাইশী এবং ওলামা বাজার মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা নুরুল ইসলাম আদিব।
এছাড়াও এই সম্মেলনে বয়ান করেন মধুপুরের পীর সাহেব মাওলানা আব্দুল হামিদ, মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ, মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী, মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন রাজি, মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, মাওলানা আহমদ আল কাসেমী, মুফতি হারুন ইজহার চৌধুরী, মুফতি হাবিবুল্লাহ মাহমুদ কাসেমী এবং মুফতি কেফায়েত উল্লাহ আজহারী। ফেনীসহ সংলগ্ন বিভিন্ন জেলার থেকে আসা সহস্রাধিক ধর্মপ্রাণ মানুষ এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন।


