নিষেধাজ্ঞা নীতিতে ইউক্রেনের শীর্ষ কূটনীতিক এশিয়ার রাষ্ট্রগুলোর কাছে একটি স্পষ্ট বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন — রাশিয়ার যুদ্ধাস্ত্র তৈরিতে তাদের সরবরাহ করা উপাদান সরাসরি ব্যবহৃত হচ্ছে। তাঁর দাবি, রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্রের ভেতরে পাওয়া চিপ ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশের অনেকটাই এশীয় বাজার থেকে এসেছে। ফলে এই দেশগুলোর রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোর করা জরুরি হয়ে পড়েছে।
একই সঙ্গে তিনি অর্থনৈতিক চাপের একটি সম্ভাব্য পথের কথাও উল্লেখ করেছেন। রাশিয়ার তেল আয় অর্ধেক কমাতে পারলে, যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাঁর মতে, মাত্র ছয় মাসের মধ্যে রাশিয়া পশ্চাদপসরণে বাধ্য হবে যদি তেল রাজস্বের এই ধস নামানো যায়। নিষেধাজ্ঞার কঠোর প্রয়োগই এ ক্ষেত্রে মূল চাবিকাঠি বলে তিনি মনে করেন।




