বিশ্বজুড়ে এখন শুরু হয়েছে প্রথম বাণিজ্যিক ফিউশন পাওয়ার প্ল্যান্ট বা ফিউশন বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের এক তীব্র প্রতিযোগিতা। পরিবেশবান্ধব এবং অফুরন্ত শক্তির উৎস হিসেবে ফিউশন এনার্জির ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করা হয়। এই প্রযুক্তির সফল বাস্তবায়ন মানবসভ্যতাকে এমন এক শক্তির উৎসের সাথে পরিচয় করিয়ে দেবে যা হবে সম্পূর্ণ পরিচ্ছন্ন এবং দীর্ঘমেয়াদী।

এই লক্ষ্য অর্জনে ইউরোপের দেশগুলো বর্তমানে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে জাপানের ওপর। বাণিজ্যিক পর্যায়ে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি দ্রুত গড়ে তোলার জন্য তারা জাপানের কারিগরি জ্ঞান এবং সহযোগিতার প্রত্যাশা করছে। মূলত শক্তির সংকট মোকাবিলা এবং কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে পরিবেশ রক্ষা করার লক্ষ্যেই এই ফিউশন প্রযুক্তির বাণিজ্যিক রূপায়ণের চেষ্টা চলছে। বর্তমান বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে প্রথম বাণিজ্যিক কেন্দ্রটি যে দেশ বা অঞ্চল গড়ে তুলতে পারবে, তারা শক্তির বাজারে এক বিশাল আধিপত্য বিস্তার করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই জাপানের মতো উন্নত প্রযুক্তির দেশের সাথে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে এই দৌড়ে এগিয়ে থাকতে চায় ইউরোপ।