কাতার তাদের পশ্চিমা বিমান বাহিনীর (Western Air Force) সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কেসি-৪৬এ (KC-46A) রিফুয়েলিং বিমান সংগ্রহের আদেশ দিয়েছে। এই বিশেষ ধরনের বিমানগুলো মূলত মাঝআকাশে অন্যান্য যুদ্ধবিমানকে জ্বালানি সরবরাহের কাজ করে থাকে, যা দীর্ঘমেয়াদী মিশনে বিমানবাহিনীর কার্যকারিতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

তবে চুক্তি সম্পন্ন হলেও খুব দ্রুত এই বিমানগুলো দোহায় পৌঁছাবে বলে মনে করা হচ্ছে না। বিভিন্ন সম্ভাব্য সময়সীমা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে এই বিমানগুলো কাতারের হাতে আসা প্রায় অসম্ভব। ফলে স্বল্প মেয়াদে এই বিমানগুলোর ব্যবহার সম্ভব না হলেও, দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা অনুযায়ী এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, বিমানগুলো হাতে পেতে দেরি হবে জেনেও কাতার কেন এই মুহূর্তে কেনাকাটার সিদ্ধান্ত নিল, তার পেছনে কিছু সুনির্দিষ্ট কৌশলগত কারণ রয়েছে। বর্তমানে বৈশ্বিক পরিস্থিতি এবং নিজেদের আকাশসীমার সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এই অত্যাধুনিক রিফুয়েলিং প্রযুক্তির প্রয়োজন অনুভব করেছে দেশটি। তাই ভবিষ্যতের সামরিক চাহিদা মেটাতে এবং প্রযুক্তির আধুনিকায়নে এই বিনিয়োগ করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।