সেন্ট জেমস পার্কে অনুষ্ঠিত ম্যাচে নিউক্যাসল ও লিভারপুল ২-২ গোলের নাটকীয় ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে। শেষ শটে পেনাল্টি থেকে গোল করে অলরেডদের নিশ্চিত পরাজয়ের হাত থেকে রক্ষা করেন ডমিনিক সোবোসলাই। এই ড্রয়ের মাধ্যমে অ্যানফিল্ডে আন্দোনি ইরাওলার নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ম্যাচের শুরুতেই পঞ্চম মিনিটে স্বাগতিক নিউক্যাসলকে এগিয়ে দেন অ্যান্থনি এলাঙ্গা। উইলিয়াম ওসুলার বাড়ানো পাসের সুযোগ নিয়ে লিভারপুলের ভঙ্গুর রক্ষণভাগকে পেছনে ফেলেন তিনি। প্রথমার্ধে মোহাম্মদ সালাহর অনুপস্থিতি এবং সাবেক ক্লাবের মাঠে ১২ কোটি ৫০ লাখ পাউন্ডের স্ট্রাইকার অ্যালেকসান্দার ইসাকের একের পর এক সুযোগ নষ্ট অলরেডদের ব্যাকফুটে রাখে। বিরতির আগে নিউক্যাসলের চাপ অব্যাহত থাকলেও গোলের সংখ্যা বাড়েনি।

দ্বিতীয়ার্ধের ৫৫ মিনিটে ২৫ গজ দূর থেকে চোখধাঁধানো শটে লিভারপুলকে সমতায় ফেরান কোডি গাকপো। তবে এই স্বস্তি টিকেছিল মাত্র দুই মিনিট। জেরেমি ফ্রিমপংকে কাটিয়ে চমৎকার ফিনিশিংয়ে নিউক্যাসলকে আবার এগিয়ে দেন জো উইলক। জয় যখন স্বাগতিকদের হাতের মুঠোয়, ঠিক তখনই ইনজুরি টাইমে ঘটে নাটকীয়তা। নিউক্যাসলের লুইস হল ডি-বক্সে অভিষিক্ত উইঙ্গার ভিক্টর মুনিয়োজকে ফাউল করলে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন রেফারি। ঠান্ডা মাথার স্পট-কিকে বল জালে জড়িয়ে ১ পয়েন্ট নিশ্চিত করেন সোবোসলাই।

ম্যাচ শুরুর আগে সম্প্রতি ৭৫ বছর বয়সে প্রয়াত দুই ক্লাবেরই সাবেক তারকা কেভিন কিগানকে শ্রদ্ধা জানানো হয়। আর্নে স্লট বরখাস্ত হওয়ার পর এবং সালাহ, ইব্রাহিমা কোনাতে ও অ্যান্ড্রু রবার্টসনের বিদায়ের পর পুনর্গঠিত লিভারপুলকে সেন্ট জেমস পার্কে বেশ অগোছালোই দেখিয়েছে। পরাজয় এড়ালেও প্রথম ম্যাচেই প্রকাশ পাওয়া রক্ষণের জঘন্য রূপ কোচ ইরাওলাকে গভীর ভাবনায় ফেলবে।