দেশের সাধারণ মানুষের মুঠোফোনের কল রেকর্ড, বার্তা এবং অবস্থানসহ নানা ব্যক্তিগত তথ্য টাকার বিনিময়ে কিনে নেওয়া যায়—এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে এক মন্ত্রীর বক্তব্যে। নিজের ফোনের তথ্য ফাঁস হয়ে গেছে দেখে তিনি বিস্ময় প্রকাশ করে বলেছেন, এটা কীভাবে সম্ভব? রীতিমতো একটি ওয়েবসাইট খুলে নাম নিবন্ধন করে বহুদিন ধরে এসব তথ্য বিক্রি হয়ে আসছে।
জানা গেছে, ওই ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করে যে কেউ নির্দিষ্ট মোবাইল নম্বরের কল ডিটেইল, মেসেজের বিষয়বস্তু এবং অবস্থানের তথ্য কেনার সুযোগ পাচ্ছেন। অর্থের বিনিময়ে কার সঙ্গে কখন কথা হয়েছে, কী বার্তা আদান-প্রদান হয়েছে, কোথায় কোথায় যাতায়াত করেছেন—সবই পাওয়া যায়। শুধু তাই নয়, যাঁরা এসব তথ্য বিক্রি করেন, তাঁদের কাছে গত ৬ সেপ্টেম্বর পাঠানো হয়েছিল একজন মন্ত্রীর নম্বর। ঘটনাটি সামনে আসার পরই নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার প্রশ্নে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এ ঘটনায় সরকারের উচ্চপর্যায়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তথ্যটি কীভাবে ফাঁস হলো এবং কারা এই ব্যবসার সঙ্গে জড়িত—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। তবে এ বিষয়ে মন্ত্রী বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইন প্রয়োগ এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি উঠেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এ ধরনের ঘটনা ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অধিকারকে চরমভাবে লঙ্ঘন করে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।




