কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার হোগলবাড়িয়া ইউনিয়নের জয়রামপুর গ্রামে মুঠোফোন চুরির অমোঘ অভিযোগে এক তরুণের ওপর নৃশংস নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্ত তরুণ রুহুল হোসেন (২০), ভেড়ামারা উপজেলার স্বরূপের ঘোপ এলাকার বাসিন্দা এবং মোহাম্মদ রশিদের ছেলে।
গত শুক্রবার সন্ধ্যায় জয়রামপুর বাজারে অবস্থানকালে রুহুল হোসেনের বিরুদ্ধে এক ব্যক্তির আইফোন চুরির অভিযোগ ওঠে। এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি তাঁকে ধরে ফেলেন এবং একটি দোকানের সামনে থাকা বাঁশের খুঁটির সঙ্গে তাঁকে শক্ত করে বেঁধে ফেলেন। এরপরই শুরু হয় এলোপাতাড়ি মারধর। নির্যাতনের এক পর্যায়ে ওই கும்பল রুহুলের মাথার চুল এবড়োখেবড়ো করে কেটে দেয়।
ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত দৌলতপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে রুহুলকে উদ্ধার করে। প্রথমে তাঁকে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হওয়ায় তাঁকে পরবর্তীতে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ইকবাল হোসেন জানিয়েছেন, রুহুলের চোখসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। অন্যদিকে, দৌলতপুর থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) নজরুল ইসলাম জানান, চিকিৎসকদের মতে রুহুলের একটি পায়ের হাড় ভেঙে গেছে এবং হাতসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর জখম হয়েছে। তাঁর শারীরিক অবস্থা বর্তমানে আশঙ্কাজনক।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান জানিয়েছেন, ভুক্তভোগী তরুণের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা চলছে। এই ঘটনায় যথাযথ মামলা দায়ের করা হলে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেছেন।




