ব্রাজিল জাতীয় দলের স্কোয়াডে হাফিনিয়ার অন্তর্ভুক্তি নিয়ে বার্সেলোনা কোচ হান্সি ফ্লিক এবং ক্লাবের সমর্থক মহলে কিছুটা উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছিল। মূলত গত কয়েকটি আন্তর্জাতিক অভিযানে বারবার চোটের কবলে পড়ার কারণে এই আশঙ্কা। গত মৌসুমে চোটের পাশাপাশি জুন-জুলাইয়ের বিশ্বকাপ এবং সবশেষ আন্তর্জাতিক বিরতিতে হাঁটুর ইনজুরির কারণে তাকে মাঠের বাইরে থাকতে হয়েছিল, যার প্রভাব পড়েছিল তার ক্লাব ক্যারিয়ারেও।
জাতীয় দলে হাফিনিয়ার ডাক পাওয়ার পরপরই জার্মান কোচ হান্সি ফ্লিক খোলাখুলিভাবে তার দুশ্চিন্তার কথা প্রকাশ করেন। তিনি মনে করেন, এই মুহূর্তে হাফিনিয়ার ছন্দে থাকাটা গুরুত্বপূর্ণ, তাই জাতীয় দলের হয়ে তার খেলার সময় যতটা সীমিত থাকবে, বার্সেলোনার জন্য ততই মঙ্গল।
তবে কোচের এই উদ্বেগের বিপরীতে সমর্থকদের আশ্বস্ত করেছেন হাফিনিয়া। আগামী ১৪ নভেম্বর জাপান এবং ১৭ নভেম্বর সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে সিঙ্গাপুরেই দুটি ম্যাচ খেলবে ব্রাজিল। কার্লো আনচেলত্তির অধীনে এই দলের সদস্য হওয়া হাফিনিয়ার জন্য বড় সুযোগ। নিজের বর্তমান শারীরিক অবস্থা ও ফিটনেস নিয়ে কথা বলতে গিয়ে হাফিনিয়া জানান, তিনি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠার প্রক্রিয়ায় আছেন এবং এখনও শতভাগ ফিট নন। তবে এই বিষয়ে তিনি এবং কোচ আনচেলত্তির মধ্যে আলোচনা হয়েছে। হাফিনিয়ার মতে, আনচেলত্তি একজন অভিজ্ঞ কোচ এবং তিনি জানেন কিভাবে স্কোয়াডের প্রতিটি খেলোয়াড়ের ম্যাচ টাইম ম্যানেজ করতে হয়। চোটের ঝুঁকি এবং দলের ভারসাম্য বজায় রাখতে কোচ সতর্ক থাকবেন, তাই বার্সা সমর্থকদের এখন আর চিন্তিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। তিনি নিজেও নিজের যত্নের ব্যাপারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন বলে জানান।
চলতি মৌসুমে অসাধারণ ফর্মে থাকা এই বার্সেলোনা অধিনায়ক সব মিলিয়ে ১৩টি ম্যাচে ১৯টি গোল এবং ৩টি অ্যাসিস্ট করেছেন। সামনেই লা লিগার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ লড়াই। আগামী রোববার আতলেতিকো মাদ্রিদের মুখোমুখি হবে বার্সেলোনা। বর্তমানে ১১ ম্যাচে ১০ জয় এবং ৩০ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছে কাতালান ক্লাবটি, আর তাদের ঠিক পেছনেই ২ পয়েন্ট ব্যবধানে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে আতলেতিকো মাদ্রিদ।




