ইউক্রেনের বর্তমান সামরিক সক্ষমতার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং অবহেলিত দিকটি কোনো অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র নয়, বরং তাদের নেতৃত্বের গুণগত পরিবর্তন। যুদ্ধের ময়দানে ইউক্রেনের চূড়ান্ত সফলতা এখন নির্ভর করছে তারা কত দ্রুত সোভিয়েত যুগের পুরনো কমান্ড কাঠামোর পরিবর্তে পশ্চিমা যুদ্ধকৌশল বা ডকট্রিন গ্রহণ করতে পারে তার ওপর।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সোভিয়েত আমলের কঠোর এবং কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার বদলে পশ্চিমা ধাঁচের 'ইন্টিগ্রেটেড অপারেশনস' বা সমন্বিত অভিযান এবং 'ডিসেন্ট্রালাইজড লিডারশিপ' বা বিকেন্দ্রীভূত নেতৃত্বের ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। বিকেন্দ্রীভূত নেতৃত্বের মূল বৈশিষ্ট্য হলো নিম্ন স্তরের কমান্ডারদের দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা প্রদান করা, যা যুদ্ধের গতিশীল পরিস্থিতিতে অত্যন্ত কার্যকর। যখন মাঠপর্যায়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নমনীয়তা আসে, তখন সামগ্রিক সামরিক কার্যক্রম আরও দক্ষ হয়ে ওঠে। তাই কেবল উন্নত অস্ত্র প্রাপ্তি নয়, বরং নেতৃত্বের এই কাঠামোগত পরিবর্তনই ইউক্রেনের জন্য দীর্ঘমেয়াদী কৌশলগত সুবিধা বয়ে আনতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।




