রাজধানীর গুলশান এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের by ঝটিকা মিছিল এবং subsequent উত্তজনাបង្កানোর ঘটনায় পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের রদবদলের প্রক্রিয়া চলছে। শনিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) এক প্রশাসনিক আদেশের মাধ্যমে গুলশান বিভাগের এডিসি মো. সারোয়ার হোসাইনকে সরিয়ে গোয়েন্দা-ওয়ারী বিভাগে বদলি করা হয়েছে। তাঁর শূন্যপদে ডিবির এডিসি মো. আমিনুল হক বাপ্পীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
একই আদেশপত্রে ডিএমপির ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড অ্যানালাইসিস বিভাগের এডিসি মো. জাহিদুল ইসলামকে মিরপুর জোনে এবং মিরপুর বিভাগের এডিসি ফারজিনা নাসরিনকে গোয়েন্দা-মিরপুর বিভাগে বদলি করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে, এই রদবদলের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল গত বুধবার, যখন কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে গুলশান থানার ওসি মো. দাউদ হোসেন এবং গুলশান বিভাগের ডিসি এম তানভীর আহমেদকে তাঁদের দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়। ফলে ওই এলাকার ওসি, ডিসি এবং এডিসি—তিন স্তরের প্রধান কর্মকর্তাই সরিয়ে দেওয়া হলেন।
এই প্রশাসনিক পদক্ষেপের মূল কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে গত ১১ সেপ্টেম্বরের ঘটনাকে। সেদিন রাজধানীর গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা হঠাৎ করে একটি মিছিল করার চেষ্টা করেন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, দুপুর পৌনে ১২টার দিকে গুলশান থানার ৩ নম্বর সড়কের একটি গলিতে প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ জন নেতাকর্মী একত্রিত হয়ে স্লোগান দিতে শুরু করেন। পুলিশ যখন তাঁদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে, তখন মিছিলকারীরা পুলিশের দিকে ককটেল ছুড়ে মারেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ রাবার বুলেট ব্যবহার করে এবং ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি ককটেল উদ্ধার করা হয়।
এই সহিংসতার প্রেক্ষিতে গুলশান থানার এসআই মো. মাহবুব হোসাইন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলায় ১১৮ জন named এবং ৮০ থেকে ১০০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত মোট ১৭৯ জনকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে এবং গ্রেপ্তারকৃতদের কয়েকজনকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এই পুরো ঘটনার পর গুলশানে নিরাপত্তা ব্যবস্থার ব্যর্থতা বা অব্যবস্থাপনার অভিযোগে পুলিশের এই রদবদল করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।




