নিউজিল্যান্ডের রপ্তানিকারকরা এখন তাদের প্রধান ক্রেতা চীনের বদলে নতুন বাজার খোঁজার পথে হাঁটছেন। দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা সিএনবিসিকে জানিয়েছেন, চীনের অর্থনৈতিক গতি শ্লথ হয়ে পড়ায় সেই বাজারের চাহিদা ক্রমশ কমছে। ফলে চীনে পাঠানোর জন্য নির্ধারিত পণ্যচালান এখন অন্য গন্তব্যে ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

দীর্ঘদিন ধরেই নিউজিল্যান্ডের রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার চীন। তবে সম্প্রতি দেশটির অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাব স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। এই পরিস্থিতিতে রপ্তানি খাতের ওপর নির্ভরতা কমাতে বৈচিত্র্য আনার কৌশল নিচ্ছে নিউজিল্যান্ডের ব্যবসায়ীরা। কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, আগে যে পণ্যসম্ভার চীনের বন্দরমুখী হতো, সেগুলোর একটি বড় অংশ এখন বিকল্প বাজারে চালান হচ্ছে।

কোন কোন নতুন বাজারে এই পণ্য পাঠানো হচ্ছে তা নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি ওই কর্মকর্তা। তবে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অন্যান্য দেশ এবং সম্ভবত ইউরোপের কিছু অংশেও রপ্তানি প্রবাহ বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। নিউজিল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই পরিবর্তনকে ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলেও জানান তিনি।

চীনের মন্দা নিউজিল্যান্ডের রপ্তানি আয়ের ওপর যে চাপ তৈরি করেছে, তা কাটিয়ে উঠতে এই বৈচিত্র্যকরণ জরুরি বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তবে নতুন বাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রে অবকাঠামো, পরিবহন খরচ এবং বাণিজ্য চুক্তিসহ নানা চ্যালেঞ্জও রয়েছে। তবুও দীর্ঘমেয়াদে ঝুঁকি কমানোর জন্য এই পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।