জাতীয় ফুটবল লীগের প্রথম পর্বের খেলা শুরু হচ্ছে চাঁদপুর স্টেডিয়ামে। শুক্রবার বিকেল ৩টায় ফকিরাপুল ইয়ং মেনস্ ক্লাব ও ঢাকা ওয়ান্ডার্স ক্লাবের মধ্যকার ম্যাচ দিয়ে চাঁদপুর পর্বের সূচনা হবে। দেশের সাতটি ভেন্যুতে এই আসরের প্রথম পর্বে মোট ৭৮টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে। এর মধ্যে চাঁদপুর স্টেডিয়ামে আয়োজন করা হবে ১২টি খেলা। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন চাঁদপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্যসচিব মো. জয়নাল আবেদীন জনু।

আসরের সময়সূচি অনুযায়ী, উদ্বোধনী ম্যাচের পর ২৫ সেপ্টেম্বর ফকিরাপুল ইয়ং মেনস্ ক্লাবের প্রতিপক্ষ হবে ঢাকা মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। এর পরের দিন, ২৬ সেপ্টেম্বর, ঢাকা ওয়ান্ডার্স ক্লাব ও আবাহনী লিমিটেড ঢাকা মুখোমুখি হবে। চাঁদপুর স্টেডিয়ামে প্রথম পর্বের সমাপনী ম্যাচটি ১৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে ঢাকা ওয়ান্ডার্স ক্লাব খেলবে পিডব্লিউডি স্পোর্টস ক্লাবের বিপক্ষে।

দীর্ঘদিন পর চাঁদপুরের মাঠে জাতীয় পর্যায়ের বড় ক্লাবগুলোর খেলা দেখার সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন স্থানীয় ফুটবলপ্রেমীরা। সাবেক স্থানীয় খেলোয়াড় জীবন বলেন, জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড়দের সরাসরি মাঠে খেলতে দেখাটা সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক। এতে এলাকার ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বহুগুণ বেড়ে যেতে পারে। স্থানীয় খেলোয়াড় মো. মানিকের মতে, নিয়মিত বড় পর্যায়ের ম্যাচ আয়োজন করা গেলে স্থানীয় খেলোয়াড়দের দক্ষতা বিকাশের সুযোগ তৈরি হবে। জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের খেলা কাছ থেকে দেখা তাদের জন্য মূল্যবান অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে।

এলাকার বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় খেলা মো. জাহাঙ্গীর মনে করেন, চাঁদপুরে প্রতিভাবান খেলোয়াড়ের অভাব নেই। তবে প্রয়োজন নিয়মিত প্রশিক্ষণ, উন্নত মাঠ এবং বড় পর্যায়ে খেলার সুযোগ। জাতীয় ফুটবল লীগের ম্যাচ আয়োজন সেই চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে তিনি অভিমত প্রকাশ করেন।

জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্যসচিব মো. জয়নাল আবেদীন জনু জানান, ম্যাচ আয়োজনের জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। দর্শক ও খেলোয়াড়দের জন্য একটি ভালো পরিবেশ নিশ্চিত করতে নিরলস কাজ চলছে। আশা করা যায়, চাঁদপুরের ফুটবলপ্রেমীরা আসন্ন ম্যাচগুলো উপভোগ করতে পারবেন এবং এই আয়োজন স্থানীয় ফুটবলের অগ্রগতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।