গত ১২ আগস্ট প্রকাশিত তথ্যে দেখা গেছে, ইয়েনের বিনিময় হার আবারও দুর্বল হয়ে পড়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত অভূতপূর্ব হস্তক্ষেপের পর যে মূল্যবৃদ্ধি হয়েছিল, তার প্রায় ৫০ শতাংশই মুছে গেছে। দুই সপ্তাহও পার হয়নি, তার মধ্যেই এই পতন ঘটল।
বিশ্লেষকরা বলছেন, বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে ইয়েনের এই দরপতন রোধে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ স্থায়ী প্রভাব ফেলতে ব্যর্থ হয়েছে। যদিও ঐতিহাসিক এই হস্তক্ষেপের মাধ্যমে মুদ্রাটির মূল্য কিছুটা সমর্থন পেয়েছিল, তবে বর্তমানে তা আবারও চাপে পড়েছে। বাজারের এই গতিবিধি ইঙ্গিত দেয় যে, নীতিনির্ধারকদের উদ্যোগ সত্ত্বেও মৌলিক অর্থনৈতিক শক্তিগুলোই ইয়েনের পথ নির্ধারণ করছে।
সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী, জাপানি মুদ্রাটি তার পূর্ববর্তী অবস্থানের কাছাকাছি ফিরে এসেছে, যা সরকারি হস্তক্ষেপের দীর্ঘমেয়াদী কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। উল্লেখ্য, মুদ্রার মান স্থিতিশীল রাখতে দুই দেশের এই যৌথ উদ্যোগ ছিল অত্যন্ত বিরল ঘটনা। তবুও, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ ও সুদের হারের পার্থক্যের কারণে ইয়েনের ওপর চাপ অব্যাহত থাকায় এই হস্তক্ষেপের ফলাফল স্বল্পস্থায়ী হয়েছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
এখন প্রশ্ন উঠেছে, পরিস্থিতি সামাল দিতে দুই দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরও কঠোর কোনো পদক্ষেপ নেবে কি না। মুদ্রাবাজারের এই অস্থিরতার মধ্যে বিনিয়োগকারীরা আবারও জাপানি মুদ্রার দরপতনের প্রভাব কতটা গভীর হবে, তা নিয়ে উদ্বিগ্ন।




