জনি নক্সভিলের বিখ্যাত এমটিভি স্টান্ট অনুষ্ঠান থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তৈরি হওয়া ‘জ্যাকাস: বেস্ট অ্যান্ড লাস্ট’ সিনেমাটি এবার স্ট্রিমিং মাধ্যমের দিকে ঝুঁকছে। ফ্র্যাঞ্চাইজিটির আগের চারটি কিস্তির বক্স অফিস আয়ের তুলনায় এবারের ছবিটি বেশ পিছিয়ে রয়েছে, যার ফলে নতুন দর্শকদের কাছে পৌঁছানোর কৌশল হিসেবে স্ট্রিমিংকে বেছে নেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
চলতি সপ্তাহেই বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ছবিটি মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। বক্স অফিসে প্রত্যাশা অনুযায়ী ফল না আসায় পরিবেশক প্রতিষ্ঠানটি এখন অনলাইন দর্শকদের ওপর ভরসা রাখছে। তবে এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
সিরিজটির শুরুটা ছিল টেলিভিশনের ছোট পর্দায়, যেখানে নক্সভিল ও তার দল চরম ঝুঁকিপূর্ণ বিভিন্ন স্টান্ট করে দর্শকদের হাসাতো। পরবর্তী সময়ে সেই জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে বড় পর্দায় আসে ‘জ্যাকাস’ ফ্র্যাঞ্চাইজি। প্রথম ছবিটি ২০০২ সালে মুক্তি পেয়ে বিপুল সাফল্য অর্জন করে এবং এরপর ধারাবাহিকভাবে আরও তিনটি সিনেমা দর্শকদের মন জয় করে নেয়।
নতুন এই কিস্তিতে আগের মতোই চরম ধাঁচের স্টান্ট এবং অপ্রত্যাশিত কাণ্ডকারখানায় ভরপুর থাকার কথা। তবে সিনেমা হলগুলোতে দর্শক সংখ্যা কমে যাওয়ায় এবার ভিন্ন পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মগুলোতে এখন প্রচুর সংখ্যক দর্শক রয়েছে, ফলে সেখান থেকে ভালো সাড়া পাওয়া গেলে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির জন্য তা নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, বক্স অফিসের এই ধারা বদল শুধু ‘জ্যাকাস’ নয়, সামগ্রিক সিনেমা শিল্পের জন্যই একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত বহন করে। দর্শকদের অভ্যাস বদলানোর সঙ্গে সঙ্গে হলগুলোর চেয়ে এখন ঘরে বসে বিনোদন নেওয়ার প্রবণতাই বেশি দেখা যাচ্ছে। ফলে আগামী দিনে আরও অনেক বড় বাজেটের ছবি স্ট্রিমিংকে অগ্রাধিকার দিতে পারে বলে মনে করছেন তারা।
‘জ্যাকাস: বেস্ট অ্যান্ড লাস্ট’ স্ট্রিমিংয়ে কেমন সাড়া পায়, সেদিকেই এখন নজর রাখছে ফ্র্যাঞ্চাইজির অনুরাগী ও শিল্পমহল।




