সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর থানায় বৃহস্পতিবার রাতে বিশেষ ক্ষমতা আইনের আওতায় একটি মামলা রুজু করা হয়। নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের ১৯ জনকে আসামি করা হয়েছে; এর বাইরে আরও ২০ থেকে ২৫ জনের পরিচয় এখনো অজানা। মামলাটি দায়ের করেন উপজেলার শ্রীধরপুর গ্রামের বাসিন্দা সোহাগ তালুকদার।
অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নোমান বখত, নিষিদ্ধ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি দীপঙ্কর কান্তি দে, সহসম্পাদক মেহেদী হাসান, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. তৈয়বুর রহমান এবং সদস্য সাগর মিয়া। তালিকায় আরও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাফায়েত জামিল, তাহিরপুরের শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহসভাপতি সালমান মিয়া এবং সহসাধারণ সম্পাদক মুক্তার হোসেন আখঞ্জি।
ঘটনাস্থল হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে ১৯ আগস্ট সকালের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার সলুকাবাদ ইউনিয়নের রসুলপুর এলাকা। অভিযোগ অনুযায়ী, বিশ্বম্ভরপুর-সুনামগঞ্জ সড়কের ওই অংশে আসামিরা পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী জড়ো হয়ে মিছিলসহ উপস্থিত হন। তাদের উদ্দেশ্য ছিল নাশকতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে স্থানীয় পরিবেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করা।
মামলার এজাহারে উল্লেখ রয়েছে যে, আসামিরা সংঘবদ্ধভাবে অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা চালান। তাদের এই তৎপরতার মাধ্যমে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নিত করার পরিকল্পনা ছিল বলে বাদীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়।
এই মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহম্মদ উল্লাহ ভূইয়া। শুক্রবার প্রথম আলোকে তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে সোহাগ তালুকদার নামের একজন ব্যক্তি ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে মামলাটি দায়ের করেন। বর্তমানে এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে তিনি জানান।




