মঙ্গলবার রাতে অনুষ্ঠিত ড্রতে জ্যাকপট জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ছয়টি সংখ্যা সঠিকভাবে মেলাতে পারেনি কোনো টিকিটই। সংখ্যাগুলো ছিল ২, ৩১, ৩৫, ৩৬, ৬৩ এবং মেগা বল ১২। ফলস্বরূপ, মেগা মিলিয়নসের জ্যাকপট বেড়ে দাঁড়ায় ৬০৪ মিলিয়ন ডলারে, যা চলতি বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় লটারি পুরস্কার। তবে কর ও অন্যান্য কাটছাঁটের কারণে বিজয়ীর হাতে পৌঁছাবে অনেক কম অর্থ।

পরবর্তী ড্রতে বিজয়ী বের হলে তার কাছে দুটি বিকল্প থাকবে। প্রথমটি হলো ৩০টি বার্ষিক কিস্তিতে সম্পূর্ণ ৬০৪ মিলিয়ন ডলার নেওয়া। দ্বিতীয় বিকল্পটি হলো এককালীন নগদ অর্থ হিসেবে ২৬৬.৩ মিলিয়ন ডলার গ্রহণ করা, যা অধিকাংশ বিজয়ী বেছে নেন। এককালীন অর্থ বেছে নিলে বাধ্যতামূলক ২৪ শতাংশ ফেডারেল উইথহোল্ডিং কেটে নেওয়ার পরে প্রাপ্তি দাঁড়ায় প্রায় ২০২.৪ মিলিয়ন ডলার। এর ওপর বিজয়ীর সামগ্রিক করযোগ্য আয়ের ওপর নির্ভর করে সর্বোচ্চ ৩৭ শতাংশ ফেডারেল মার্জিনাল ট্যাক্স প্রযোজ্য হতে পারে, যা চূড়ান্ত অর্থকে প্রায় ১৬৭.৮ মিলিয়ন ডলারে নামিয়ে আনে।

বার্ষিক কিস্তির বিকল্প বেছে নিলে বিজয়ী প্রতি বছর প্রায় ২০.১ মিলিয়ন ডলার পাবেন। কিন্তু ৩৭ শতাংশ ফেডারেল মার্জিনাল ট্যাক্স কাটার পরে বার্ষিক পরিমাণ দাঁড়াবে ১২.৭ মিলিয়ন ডলার। এছাড়া বিজয়ীর আবাসিক রাজ্যের ওপর নির্ভর করে অতিরিক্ত করও দিতে হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, নিউ ইয়র্কে লটারি জয়ের ওপর ১০.৯ শতাংশ কর আরোপিত হয়, কিন্তু টেক্সাস, ফ্লোরিডা ও ক্যালিফোর্নিয়ার মতো রাজ্যে এই কর নেই।

মেগা মিলিয়নস জ্যাকপট জয়ের সম্ভাবনা অত্যন্ত কম—২৯ কোটি ৪০ লাখের মধ্যে মাত্র ১। এটি পাওয়ারবলের চেয়ে কিছুটা ভালো, যেখানে সম্ভাবনা ২৯ কোটি ২২ লাখের মধ্যে ১। পরবর্তী মেগা মিলিয়নস ড্র অনুষ্ঠিত হবে শুক্রবার রাতে। অপরদিকে, পাওয়ারবল জ্যাকপট বর্তমানে ৪৩৪ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যার পরবর্তী ড্র বুধবার রাতে।

চলতি বছরের বৃহত্তম লটারি পুরস্কারটি আগে জিতেছিলেন ইলিনয়ের এক টিকিটধারী। তিনি মার্চ মাসে মেগা মিলিয়নসের ৫৩৩ মিলিয়ন ডলারের জ্যাকপট জিতে নেন। অন্যদিকে, আরকানসাসের এক লটারি খেলোয়াড় পাওয়ারবলের সবচেয়ে বড় জ্যাকপট ২৫০.৮ মিলিয়ন ডলার জিতে নেন।