ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) পরিবহন বিভাগে কর্মরত কনস্টেবল হুমায়ুন কবীরের মৃত্যুর ঘটনায় চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। গত বছরের এপ্রিল মাসের শেষ দিকে পুরান ঢাকার দয়াগঞ্জ এলাকায় নিজ বাসভবনের সামনে থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তদন্তের মাধ্যমে জানা গেছে, এটি একটি পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড ছিল এবং এই ঘটনায় তাঁর স্ত্রীসহ মোট ১১ জনের সরাসরি সম্পৃক্ততা রয়েছে। চলতি বছরের মার্চ মাসে যাত্রাবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আওলাদ হুসাইন এই মামলার অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করেন। হুমায়ুন কবীর পেশায় জলকামান চালক হিসেবে ডিএমপির পরিবহন বিভাগে দায়িত্ব পালন করতেন। তদন্তে বেরিয়ে আসে, স্ত্রীর পরিকল্পনাতেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তরফ থেকে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু প্রকাশ করা হয়নি। তবে ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে। পুলিশের একজন সক্রিয় সদস্যের এই মর্মান্তিক মৃত্যুতে সহকর্মীদের মাঝেও শোকের ছায়া নেমে আসে। তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে। আসামিদের আদালতে হাজির করে পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালনা করবে পুলিশ।