২০২৬ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের প্রথম অধ্যায়ের ওপর তৈরি করা হয়েছে ১৬টি বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর। এসব প্রশ্নের মূল প্রতিপাদ্য জলবায়ু পরিবর্তন, তার কারণ ও প্রতিকার।

জলবায়ু নির্ধারণের জন্য সাধারণত ৩০ থেকে ৩৫ বছরের আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ করা হয়। অন্যদিকে, কোনো নির্দিষ্ট স্থানের স্বল্প সময়ের বায়ুমণ্ডলীয় অবস্থাকে আবহাওয়া বলে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রধান কারণ হিসেবে গ্রিনহাউস গ্যাসের বৃদ্ধিকে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিশেষ করে কার্বন ডাই–অক্সাইডের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার কারণে পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়ছে।

বন উজাড়ের ফলে কার্বন ডাই–অক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়, যা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। নবায়নযোগ্য শক্তির উদাহরণ হিসেবে সৌরশক্তির নাম উল্লেখ করা হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঘূর্ণিঝড়ের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রকোপ বাড়ছে, যা কৃষি খাতেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে বলেও প্রশ্নোত্তরে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

পরিবেশ সংরক্ষণের অন্যতম উপায় হলো বৃক্ষরোপণ। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের মাধ্যমে জ্বালানির ব্যবহার কমানো সম্ভব। প্লাস্টিকের পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব ব্যাগ ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বনভূমি রক্ষা করলে পরিবেশের ভারসাম্য বজায় থাকে এবং পানির অভাবের মতো সমস্যা কমে।

পরিবেশবান্ধব যানবাহন হিসেবে সাইকেলকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন রোধে বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশবান্ধব জীবনযাপনকে সহায়ক বলে উল্লেখ করা হয়েছে। জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার কমানো এবং প্লাস্টিকের ব্যবহার হ্রাস করাও করণীয় হিসেবে চিহ্নিত।

প্রশ্নোত্তর সেটটি প্রণয়ন করেছেন বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল, ঢাকার শিক্ষক রাবেয়া সুলতানা। শিক্ষার্থীদের জন্য এটি একটি কার্যকর প্রস্তুতি উপকরণ হিসেবে কাজ করবে বলে আশা করা যায়।