বিএনপির এক নেতার নৈতিক স্খলনের ঘটনায় দলীয় পদ ও সদস্যপদ থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে ফরিদপুরে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি অশ্লীল ভিডিওর পরিপ্রেক্ষিতে জেলা বিএনপির জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বহিষ্কৃত ওবায়দুর রহমান (৪৮) সদর উপজেলার আলীয়াবাদ ইউনিয়নের গদাধরডাঙ্গী গ্রামের বাসিন্দা এবং তিনি আলীয়াবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছিলেন।
বৃহস্পতিবার রাতে অনুষ্ঠিত জরুরি সভার পর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ মোদাররেস আলী ও সদস্যসচিব এ কে এম কিবরিয়া স্বাক্ষরযুক্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলা হয়, নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার কারণে ওবায়দুর রহমানকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ বহিষ্কার করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে দলের সব পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের তাঁর সঙ্গে দলীয় সম্পর্ক না রাখার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি ওবায়দুর রহমানের সঙ্গে এক নারীর ৫ মিনিট ৩৭ সেকেন্ডের একটি অশ্লীল ভিডিও সামাজিক মাধ্যমগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে জেলাজুড়ে আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি করে। বহিষ্কারের পর এ বিষয়ে ওবায়দুর রহমানের বক্তব্য জানতে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি কল ধরেননি। তবে এর আগে তিনি দাবি করেছিলেন, ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জেলা বিএনপির সদস্যসচিব এ কে এম কিবরিয়া বলেন, ভিডিওটি প্রকাশের পর দলীয়ভাবে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হয়। প্রাথমিক সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পরই জরুরি বৈঠক ডেকে ওবায়দুর রহমানকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ ঘটনায় দলটির নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা চলছে এবং ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই ওবায়দুর রহমান দলীয়ভাবে নানা প্রশ্নের সম্মুখীন হচ্ছিলেন।




