ঢাকার ধামরাই উপজেলায় নারগিস বেগম (৪৫) ও তাঁর দুই পুত্র সন্তানকে হত্যার ঘটনায় তদন্তের গতিপথ পুরোপুরি বদলে যায়। এক বছর আগে সংঘটিত এই হত্যাকাণ্ড প্রাথমিকভাবে খাদ্যে বিষক্রিয়া বলে মনে করা হলেও, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) তদন্ত কর্মকর্তা মনজুর রহমানের মানসিক খটকা থেকেই নিহতদের প্রকৃত মৃত্যুর কারণ বেরিয়ে আসে। ঘটনার পর থেকে পলাতক থাকা জামাতা রবিন (২২) কে গ্রেপ্তার করা হলে তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে রবিন জানান, তাঁর শাশুড়ি নারগিস বেগম ডেকোরেটরের ব্যবসা বিক্রি করে দেওয়ায় তিনি প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হন। ওই ক্ষোভের বশবর্তী হয়েই তিনি গভীর রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় শাশুড়ি ও দুই শ্যালকের মুখে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করেন। ঘটনার সময় নারগিসের স্বামী ও রবিনের শ্বশুর বাড়ির বাইরে ছিলেন। পিবিআই গত ১৪ জানুয়ারি আদালতে এই মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করেছে। বর্তমানে রবিন বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছেন। তদন্ত কর্মকর্তা মনজুর রহমান জানান, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও ঘটনাস্থলের নমুনা পরীক্ষার পরই তাঁদের সন্দেহ দৃঢ় হয়। প্রাথমিকভাবে বিষক্রিয়া বলে ধারণা করা হলেও, দেহে কোনো বিষের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। পরে রবিনের ভূমিকা নিয়ে গভীর তদন্ত শুরু হয়। গ্রেপ্তারের পর রবিন আদালতে তাঁর অপরাধ স্বীকার করে নেয়।
ধামরাইয়ে শাশুড়ি ও দুই শ্যালক হত্যা: ব্যবসা বিক্রির ক্ষোভ থেকে খুনের স্বীকারোক্তি
ঢাকার ধামরাইয়ে নারগিস বেগম ও তার দুই সন্তান হত্যার ঘটনায় জামাতা রবিন গ্রেপ্তার। তদন্ত কর্মকর্তার সন্দেহের ভিত্তিতে রহস্য উন্মোচন; রবিন বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার কথা স্বীকার করেছে। পিবিআই অভিযোগপত্র দাখিল করেছে।




