পুলিশের দাবি, জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে নিজেকে মিয়ানমারের নাগরিক পরিচয় দিয়ে ডেনমার্কের ট্রাভেল ডকুমেন্ট সংগ্রহ করেন গোলাম সারোয়ার খান। সেই নথি ব্যবহার করেই তিনি ওমানে পাড়ি জমাতে চেয়েছিলেন। শাহজালাল বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের বহির্গমন এলাকা থেকে শনিবার তাঁকে আটক করা হয়। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান চালায় বলে জানানো হয়েছে।
ঘটনার পরদিন রাত প্রায় একটার সময় চট্টগ্রাম নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (গণমাধ্যম) আমিনুর রশিদের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গ্রেপ্তার গোলাম সারোয়ার শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের ফুফাতো ভাই। ঢাকা ও চট্টগ্রামে সাজ্জাদের নাম ব্যবহার করে তিনি চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। চট্টগ্রাম মহানগরে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে তাঁর সংশ্লিষ্টতাও তদন্ত করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী মুঠোফোনে জানিয়েছেন, গোলাম সারোয়ার খান নামে তাঁর কোনো ফুফাতো ভাই বা সহযোগী নেই। তাঁর অভিযোগ, এই ব্যক্তি তাঁর নাম ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন অপরাধ করে আসছেন। পুলিশের বক্তব্যের বিপরীতে সাজ্জাদ এই সম্পর্ক পুরোপুরি অস্বীকার করেছে।
এদিকে, গ্রেপ্তার গোলাম সারোয়ারকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে তাঁর অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের তথ্য বের করার চেষ্টা চলছে। তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। উল্লেখ্য, বড় সাজ্জাদ নামে পরিচিত সাজ্জাদ আলী চট্টগ্রামের একটি চিহ্নিত সন্ত্রাসী চক্রের প্রধান হিসেবে অভিযুক্ত।




