ইসমাইল মিয়া নামের এক মাদক মামলার আসামি কুমিল্লার হোমনা থানা থেকে পালানোর চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত পুলিশের জালে আটকা পড়েন। হাতকড়া পরা অবস্থায় তিনি থানা চত্বর সংলগ্ন তিতাস নদীতে ঝাঁপ দেন। তবে পুলিশ ও স্থানীয় এলাকাবাসীর দ্রুত পদক্ষেপে তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

ঘটনার সূত্রপাত রোববার দিবাগত রাত আনুমানিক দুইটায়। ওই সময় হোমনা উপজেলার পঞ্চবটি সোলেমান শাহ মাজার এলাকা থেকে ১৭টি ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ইসমাইলকে আটক করেন সেখানকার বাসিন্দারা। আটকের পর তাকে শারীরিকভাবে আঘাত করে স্থানীয় জনতা। পরে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। মাদক আইনে মামলা রুজু করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয় ইসমাইলকে।

থানায় মামলার কার্যক্রম শেষে আসামি দাবি করেন যে, মারধরের কারণে তিনি অসুস্থ। পুলিশ রাতেই তাকে হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তখনই হঠাৎ করে ইসমাইল থানা ভবন থেকে দৌড়ে সন্নিকটে তিতাস নদীতে লাফিয়ে পড়েন। পুলিশ তাৎক্ষণিক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে এবং স্থানীয়দের সহায়তায় নদী থেকে তাকে তুলে আনে। পলায়নের সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।

পরে ইসমাইল মিয়াকে পুনরায় পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। সোমবার বিকেলে কুমিল্লা আদালতে তোলা হলে বিচারকের আদেশে তাকে জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়। হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) টমাস বড়ুয়া জানান, আসামি ইসমাইলের বিরুদ্ধে মাদক আইনে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।