যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে গতকাল আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন লেবার পার্টির নেতা অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। এ উপলক্ষে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি অভিনন্দনপত্র প্রেরণ করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী সোমবার রাতে সংবাদ সংস্থা বাসসকে এই তথ্য জানিয়েছেন।

তারেক রহমান তাঁর বার্তায় বার্নহ্যামের নেতৃত্বে যুক্তরাজ্যের শান্তি, সমৃদ্ধি ও গণতান্ত্রিক অগ্রগতি কামনা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, বার্নহ্যামের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়া তাঁর নেতৃত্বের প্রতি যুক্তরাজ্যের জনগণ ও লেবার পার্টির আস্থারই প্রতিফলন। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা, টেকসই উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক সুশাসনের ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

অভিনন্দনবার্তায় বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক ও বহুমাত্রিক সম্পর্ক তুলে ধরা হয়। তারেক রহমান বলেন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও কমনওয়েলথের নীতির ভিত্তিতে এই কৌশলগত অংশীদারত্ব গড়ে উঠেছে। বাণিজ্য, বিনিয়োগ, উন্নয়ন সহযোগিতা, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, শিক্ষা, নিরাপত্তা, অভিবাসন ও সাংস্কৃতিক বিনিময়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক সম্প্রসারিত হচ্ছে। তিনি যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের দুই দেশের মধ্যকার বন্ধুত্বের গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধ হিসেবে অভিহিত করেন, যারা উভয় দেশের অর্থনীতি ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যামকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। পাশাপাশি তিনি বার্নহ্যামের সুস্বাস্থ্য, ব্যক্তিগত কল্যাণ ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সফল দায়িত্বপালন কামনা করেন। যুক্তরাজ্যের জনগণের শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধিও কামনা করেন তিনি।

উল্লেখ্য, যুক্তরাজ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের পদত্যাগের পর অ্যান্ডি বার্নহ্যাম নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। চার বছরের ব্যবধানে দেশটিতে এ নিয়ে পঞ্চম প্রধানমন্ত্রীর পরিবর্তন ঘটল।