সুস্থ, শিক্ষিত তরুণেরা গ্রামীণ জীবন ত্যাগ করে অভিবাসনের পথ বেছে নিচ্ছেন—এমন একটি প্রবণতা ফুটে উঠেছে দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে পরিচালিত একটি গবেষণায়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, যেসব ব্যক্তির দীর্ঘস্থায়ী কোনো রোগব্যাধি নেই, তারাই গ্রাম থেকে শহর বা বিদেশে পাড়ি জমানোর ক্ষেত্রে সর্বাধিক অগ্রসর। অন্যদিকে, শারীরিক অসুস্থতা মানুষকে তার জন্মস্থান বা শিকড়ের প্রতি আবদ্ধ রাখতে বাধ্য করে।

গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, শিক্ষা এই অভিবাসনের একটি চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে। উচ্চশিক্ষিত ব্যক্তিরা নতুন সম্ভাবনার সন্ধানে গ্রাম ছাড়তে বেশি আগ্রহী হন, যা তাদের ‘ডানা মেলতে’ সহায়তা করে। এর বিপরীতে, গ্রামীণ জনপদে থেকে যান তুলনামূলকভাবে কম শিক্ষিত ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী। এই বৈষম্য গ্রামীণ অর্থনীতি ও সামাজিক কাঠামোতে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে।

এদিনের আলোচিত আরেক সংবাদে প্রাথমিক স্তরের বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশিত হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৮২ হাজার ৫০০ জনকে বৃত্তি প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও, সব কটি কোটা পূরণ হয়নি। চূড়ান্ত ফলাফলে ৭৯ হাজার ২৪৬ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি লাভ করেছে। এর ভেতরে ট্যালেন্টপুল বা মেধাবৃত্তি পেয়েছে ৩২ হাজার ৯৬৫ জন এবং সাধারণ বৃত্তির আওতায় এসেছে ৪৬ হাজার ২৮১ শিক্ষার্থী। বৃত্তির অর্থের পরিমাণ ও প্রাপ্তির সময়সীমা নিয়েও প্রতিবেদনে বিশদ বিবরণ দেওয়া হয়।

এদিকে ফুটবল বিশ্বকাপের ম্যাচে আর্জেন্টিনা ও সুইজারল্যান্ডের মধ্যকার রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে মাঠের ভেতরে ঘটে যাওয়া এক বিতর্কিত ঘটনা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। সুইস আক্রমণভাগের খেলোয়াড় ব্রিল এমবোলোকে লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বহিষ্কার করেন রেফারি, যার মাত্র পাঁচ মিনিট আগেই সুইজারল্যান্ড ১-১ গোলে সমতা ফিরিয়েছিল। নির্ধারিত সময়ের পর অতিরিক্ত সময়ে দুই গোল করে ৩-১ ব্যবধানে জয় পায় আর্জেন্টিনা এবং সেমিফাইনালে উত্তীর্ণ হয়।

একই ম্যাচে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি ম্যাচের প্রথমার্ধে রেফারির সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ে জড়িয়ে পড়েন। ‘আমার সঙ্গে ঠিকভাবে কথা বলুন’—মেসির এই মন্তব্য এবং রেফারির সঙ্গে বাগযুদ্ধ সামাজিক মাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে ঝড় তোলে। ম্যাচটিতে আর্জেন্টিনার নাটকীয় জয় ছাড়াও জুলিয়ান আলভারেজের অসাধারণ গোল এবং মেসির ক্যারিয়ারের দশম বিশ্বকাপ অ্যাসিস্ট বিশেষভাবে আলোচিত হয়।

অন্যদিকে রাজধানী ঢাকার জলাবদ্ধতার চিত্রও সেদিনের শীর্ষ সংবাদের তালিকায় ছিল। বিজয় সরণি মোড় এলাকায় সকাল সাড়ে আটটায় রাস্তায় জমে থাকা পানির অবস্থা বর্ণনা করতে গিয়ে প্রতিবেদনে ‘কূল নাই কিনার নাই’ টাইপের অথই ‘সাগরের’ উপমা টানা হয়। মতিঝিল, বিজয়নগর, খিলগাঁও ও মগবাজারের থই থই পানি যেন আগেই সতর্কবার্তা দিয়ে রাখে পথচারীদের জন্য। সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও যানবাহনের জন্য সেই পানির উচ্চতা ছিল ‘বুকসমান’, ফলে নগরবাসীকে চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হয়।