সম্প্রতি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়া ‘ইভিল ডেড’ সিরিজের সর্বশেষ কিস্তি ‘ইভিল ডেড বার্ন’ দর্শকদের কাছ থেকে অপেক্ষাকৃত শীতল প্রতিক্রিয়া পেয়েছে। এই অবস্থায় নির্মাতা স্যাম রাইমি, রব ট্যাপার্ট ও ব্রুস ক্যাম্পবেলের প্রযোজনায় নির্মিত ছবিটি চলতি সপ্তাহেই ডিজিটাল স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মগুলোতে মুক্তি পেতে চলেছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে হরর ও থ্রিলার ধারার সিনেমাটি নতুন করে তরঙ্গ তুলতে সক্ষম হবে বলে সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা।

শুক্রবার স্ট্রিমিংয়ে আসার ঘোষণার মধ্য দিয়ে প্রয়োজকরা মূলত ছবিটির বাণিজ্যিক গতি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন। সামগ্রিকভাবে প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শনের সময়ে ‘ইভিল ডেড বার্ন’ এর আয় তুলনামূলকভাবে কম থাকায়, অনলাইন মাধ্যমকে একটি কৌশলগত বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এ ধরণের পদক্ষেপ বর্তমানে চলচ্চিত্রশিল্পে একটি প্রচলিত কৌশল, যেখানে পর্দায় অপ্রত্যাশিত সাড়া পাওয়া নির্মাণগুলো ডিজিটাল ডিস্ট্রিবিউশনের মাধ্যমে দ্বিতীয় দফা দর্শক আকর্ষণের চেষ্টা করে।

‘ইভিল ডেড’ এক ঐতিহ্যবাহী ও জনপ্রিয় ভীতিপ্রদ কাহিনি সংকলন, যা কয়েক দশক ধরেই দর্শকমহলে সমাদৃত। এই সিরিজের প্রতিটি কিস্তি ভক্তদের মধ্যে ভিন্ন মাত্রার আগ্রহ সৃষ্টি করে। বরাবরের মতো এবারেও বড় পরিসরের প্রচারণার অংশ হিসেবে ছবির নির্মাণশৈলী ও গল্পের নয়া মোড় নিয়ে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু প্রয়োগক্ষেত্রের প্রতিক্রিয়া হয়েছিল তুলনামূলকভাবে নম্র।

এখানো সময়ের মধ্যে প্রস্রাবণ মাধ্যমকে কাজে লাগিয়ে হরর-থ্রিলারটি তার উপস্থিতি আরও দৃঢ় করতে পারে বলে বিশ্লেষকেরা মনে করছেন। রাইমি, ট্যাপার্ট ও ক্যাম্পবেলের সমন্বয়ে নির্মিত এই ফ্র্যাঞ্চাইজির নতুন অধ্যায়টি এখন পর্যন্ত দর্শকের কাছ থেকে যে সাড়া ফেলেছে, তার সম্প্রসারই এখন মূল চ্যালেঞ্জ। ডিজিটাল মুক্তি আয়োজকদের এই পরিকল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে দর্শক সংখ্যা ও সন্তুষ্টি পুনরুদ্ধার।