২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুট দৌড়ে কেবল গোলসংখ্যাই একমাত্র মাপকাঠি নয়; একটি নতুন ডেটাভিত্তিক মূল্যায়ন প্রতিযোগিতার সেরা ফিনিশারদের আলাদাভাবে চিহ্নিত করছে। মোট গোল, খেলোয়াড়ের মাঠে কাটানো মিনিট এবং প্যারেটো দক্ষতা (Pareto efficiency) প্রয়োগ করে সবচেয়ে উৎপাদনশীল স্কোরারদের একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে।
এই পদ্ধতি এমন ফুটবলারদের সামনে আনে যারা সীমিত সময়ের মধ্যেও সর্বোচ্চ আউটপুট দিয়েছেন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মিনিট প্রতি গোলের হার বিবেচনা করলে বেশ কয়েকজন তারকা ফরোয়ার্ডের দক্ষতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে, যদিও তারা তালিকার একেবারে শীর্ষে নাও থাকতে পারেন। প্যারেটো দক্ষতার ধারণাটি অর্থনীতি থেকে ধার করা; এটি এমন একটি অবস্থা নির্দেশ করে যেখানে কোনো খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্সের একটি দিক (যেমন গোল সংখ্যা) না কমিয়ে অন্য দিকের (যেমন মিনিট প্রতি গোল) উন্নতি অসম্ভব।
বিশ্লেষণটি দেখিয়েছে যে কয়েকজন খেলোয়াড় এই দক্ষতার সীমানায় অবস্থান করছেন। উদাহরণস্বরূপ, যেসব স্ট্রাইকার বদলি হিসেবে নেমেও দ্রুত গোল করেছেন, তারা প্রতিযোগিতার নিয়মিত গোলদাতাদের চেয়ে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছেন। এই তথ্য-নির্ভর দৃষ্টিভঙ্গি গোল্ডেন বুটের দৌড়কে বহুমাত্রিক করে তুলেছে এবং ফুটবল বিশ্লেষকদের জন্য একটি নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রতিবেদনটি মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত হয়।
গোল্ডেন বুট রেসের প্রচলিত ধারণায় শুধু গোলের সংখ্যা দেখা হলেও, এই উন্নত পরিসংখ্যান মডেল ফুটবলপ্রেমীদেরকে খেলার গভীরে প্রবেশ করে প্রকৃত ফিনিশিং দক্ষতা বুঝতে সাহায্য করবে। কোচ এবং ক্লাব ম্যানেজারদের জন্যও এটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি সীমিত সম্পদে সর্বোচ্চ ফল পাওয়ার কৌশল নির্দেশ করে।

