বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ এক ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। এই ম্যাচটি ছিল অত্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ, যেখানে শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের ব্যবধানে জয় পায় আর্জেন্টিনা। ইংল্যান্ড প্রথমে ৫৫তম মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে এগিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু ৮৫তম মিনিটে এনজো ফার্নান্দেজের দূরপাল্লার জোরালো শটে সমতা আনে আর্জেন্টিনা। এরপর ৯২তম মিনিটে মেসির ক্রস থেকে লাওতারো মার্তিনেজের হেডে জয়সূচক গোল করে তারা। ম্যাচের শুরু থেকেই তবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল লিওনেল মেসি ও জুড বেলিংহামের মধ্যকার মৌখিক সংঘাত। খেলা শুরুর মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে দুই প্রজন্মের এই দুই ফুটবলারকে একে অপরের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। তাদের মধ্যে তর্কের সূত্রপাত হয় একটি ফাউল নিয়ে। বেলিংহামের দিকে মেসি তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকিয়ে মাথা নাড়ানোর দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়েন বেলিংহাম। তিনি অবশ্য বিষয়টিকে খুব একটা গুরুত্ব দেননি। তার ভাষ্যমতে, ওই ঘটনা আসলে তেমন কিছুই ছিল না। তিনি বলেন, 'আমরা ফাউল নিয়ে কথা বলছিলাম। আমি মনে করি, সবাই এটি নিয়ে বড় কিছু ভাববে, কিন্তু বাস্তবে কিছুই হয়নি।' বেলিংহাম আরও জানান, মেসি তার ওপর করা ফাউলের কথা তুললে তিনি জবাবে বলেন, 'তুমি তো যথেষ্ট শক্তিশালী, এগুলো সামলাতে পারো।' এই পুরো ঘটনাটি বেলিংহামের কাছে হালকা মনে হলেও ফুটবল বিশ্বে এটি আলোচনার জন্ম দিয়েছে। মেসির প্রশংসা করতেও ভোলেননি ইংলিশ মিডফিল্ডার। তিনি বলেন, 'মেসির বিপক্ষে খেলা সৌভাগ্যের। তার বিরুদ্ধে আমার কোনো ক্ষোভ নেই। হেরে যাওয়ায় দুঃখ আছে, কিন্তু এই কিংবদন্তির সঙ্গে মাঠ ভাগাভাগি করাটা বড় গর্বের।' উল্লেখ্য, এই ম্যাচের পর গোল্ডেন বুটের দৌড়েও এগিয়ে গেছেন মেসি।
বিশ্বকাপ ম্যাচে মেসি-বেলিংহামের মৌখিক সংঘাত, পরে যা জানালেন ইংলিশ তারকা
আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ ম্যাচের শুরুতেই মেসি ও বেলিংহামের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। ম্যাচ শেষে বেলিংহাম বলেন, এটি ফাউল নিয়ে আলোচনা মাত্র। আর্জেন্টিনা ২-১ গোলে জিতে যায়।


