একটি সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো মরক্কোকে ২০৩০ সালের ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছেন। এই প্রস্তাবের পিছনে মূল কারণ হিসেবে সমর্থন আদায়ের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। ফিফার সর্বোচ্চ এই কর্মকর্তার এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এমন এক সময়ে, যখন বিশ্বকাপের একটি অংশ ব্যক্তিগত বিনিয়োগকারীদের কাছে হস্তান্তরের একটি পরিকল্পনা ব্যাপক সমালোচনার মুখে বাতিল করতে বাধ্য হয়েছেন তিনি। ওই বিতর্কিত পরিকল্পনাটি বাতিল হওয়ার পর ফিফার ভেতরে ও বাইরে তাঁর অবস্থান দুর্বল হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রতিবেদনটি বলছে, মরক্কোকে ফাইনাল আয়োজনের প্রলোভন দেখিয়ে ইনফান্তিনো সম্ভবত তাঁর রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ভিত্তি মজবুত করতে চাইছেন। তবে এ বিষয়ে ফিফা বা মরক্কোর ফুটবল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি বা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। বিশ্বকাপ আয়োজনের অধিকার এবং এর সঙ্গে জড়িত সিদ্ধান্তগুলো সবসময়ই বিভিন্ন দেশ ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে জটিল আলোচনার জন্ম দেয়। ইনফান্তিনোর এই প্রস্তাবকে ঘিরে ফুটবল মহলে নতুন করে জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে। তাঁর পূর্ববর্তী সিদ্ধান্তের ব্যর্থতা এবং নতুন এই কৌশলটি কীভাবে ফিফার ভবিষ্যৎ নীতি ও বিশ্বকাপ আয়োজন প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করবে, সেদিকে নজর রাখছেন বিশ্লেষকরা। উল্লেখ্য, ২০৩০ সালের বিশ্বকাপের আয়োজক হিসেবে মরক্কো, স্পেন এবং পর্তুগালের যৌথ বিড ইতোমধ্যেই চূড়ান্ত হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে মরক্কোকে ফাইনাল আয়োজনের আলাদা প্রস্তাব দেওয়া নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে মনে করা হচ্ছে। ইনফান্তিনোর এই পদক্ষেপ ফিফার স্বচ্ছতা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে বিশ্বকাপের মতো বৈশ্বিক আসরের ফাইনাল আয়োজনের অধিকারকে কোনো নির্দিষ্ট দেশের সমর্থন আদায়ের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ উঠতে পারে। তবে এই মুহূর্তে সবকিছুই অনুমান ও প্রতিবেদনের ওপর নির্ভরশীল।