প্রিটোরিয়ার গ্রনক্লুফ ওভালে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে শুরু থেকেই ব্যাটিং ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে বাংলাদেশ। টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে একেবারে শুরুতে চাপে পড়ে সফরকারীরা। প্রথম চার ওভারে মাত্র ৩ রান তুলতেই উইকেটের পতন ঘটে। অধিনায়ক জাকির হাসান মাত্র ১ রান করে সাজঘরে ফেরেন। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে দলটি।

শাহাদাৎ হোসেন ১৬ বলে ৮ রান, ইফতেখার হোসেন ৮ বলে ২ রান এবং মাহিদুল ইসলাম ২৮ বলে ২ রান করে আউট হন। প্রথম সারির এই ব্যাটিং বিপর্যয়ের চাপ সামলে ওঠা দলের পক্ষে সম্ভব হয়নি। শেষ দিকে দৃশ্যটি ছিল আরও ভয়াবহ। মাত্র ১৬ রানের ব্যবধানে শেষ ৬ উইকেট খুইয়ে ৩০.২ ওভারে ইনিংসটি থামে বাংলাদেশের।

পুরো ইনিংসে দলীয় স্কোর গড়ানোর দায়িত্ব একা কাঁধে তুলে নেন ওপেনার মাহফিজুল ইসলাম। ৭৩ বলের মুখোমুখি হয়ে তিনি করেন ৪০ রান। তাকে ছাড়া আর মাত্র দুইজন ব্যাটার দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে সক্ষম হন। তন্মধ্যে আমিনুল ইসলাম ২৩ বলে ১১ রান এবং সামিউন বাসীর ১১ বলে ১০ রানের অবদান রাখেন। বাকি ব্যাটাররা সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ।

স্বাগতিক বোলারদের মধ্যে দায়ান গালিম ধ্বংসাত্মক বোলিং প্রদর্শন করেন। তিনি একাই ৫ উইকেট শিকার করে বাংলাদেশের ইনিংস গুটিয়ে দেন। ৮৯ রানের পুঁজি নিয়ে জয়ের জন্য পরিষ্কার কাজ ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য।

দক্ষিণ আফ্রিকা ইমার্জিং দল তাদের রান তাড়া করতে গিয়ে শুরুতেই অবশ্য একটু ধাক্কা খায়। ইনিংসের প্রথম ওভারেই পেসার ইকবাল হোসি ০ রানে জর্ডান কিংকে আউট করেন। পরবর্তীতে চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান আরও দুইটি উইকেট নিতে সক্ষম হন। কিন্তু তাতে দলীয় জয় ঠেকানো সম্ভব হয়নি। রিচার্ড সেলেটসওয়ানের ৪০ বলে ৩৫ রান ও মিচেল ভ্যান ব্যুরেনের ২২ বলে ১৮ রানের ইনিংসের ওপর ভর করে স্বাগতিকরা ১৮.৪ ওভারেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায়।

এই হারের পর আগামী পরশু ইউনিভার্সিটি স্পোর্টস সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে নামবে বাংলাদেশ।