বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ বাজারে এক যুগের বেশি সময় ধরে তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলেছে এয়ারটেল। শুধু যে কল বা মেসেজের মাধ্যম হিসেবে সীমাবদ্ধ ছিল তা নয়, বরং তরুণদের সংস্কৃতি, গান, গল্প ও আড্ডার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছিল এই অপারেটরটি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে গ্রাহকদের পছন্দ-অপছন্দ বদলেছে, আর সেই বদলের সঙ্গে নিজেকেও মানিয়ে নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এবার সেই ধারাবাহিকতায় তারা সম্পূর্ণ নতুন একটি পরিচয়ে আবির্ভূত হচ্ছে—‘সার্কেল’।

প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, বন্ধুত্বের সংজ্ঞা এখন আগের চেয়ে অনেক গভীর। যে মানুষটি আমাদের কথা বোঝে, নীরবতাও উপলব্ধি করতে পারে, সাফল্যে আনন্দ পায় এবং প্রয়োজনে ভুল ধরিয়ে দেয়—সে-ই প্রকৃত বন্ধু। এই সহজ ও বাস্তব সত্যকে সামনে রেখেই এয়ারটেলের নতুন নামকরণ করা হয়েছে সার্কেল। এতে করে বন্ধুত্ব ও সংযোগের যে বন্ধন, তা আরও দৃঢ় হবে বলে আশা করছে প্রতিষ্ঠানটি।

নতুন এই যাত্রায় বাংলাদেশের সর্বদা অনলাইন থাকা তরুণ প্রজন্মের জন্য কী কী সুবিধা আসছে, তা নিয়ে জানানো হয়েছে। আকর্ষণীয় অফার, আরও শক্তিশালী ডিজিটাল সেবা এবং ভবিষ্যতমুখী নতুন অভিজ্ঞতার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে সার্কেল। তবে যেসব গ্রাহক এত দিন এয়ারটেল ব্যবহার করে আসছেন, তাঁদের কোনো চিন্তার কারণ নেই। তাঁদের প্রিয় ০১৬ নম্বরটি আগের মতোই বহাল থাকবে। মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, লেনদেন ও ব্যক্তিগত তথ্যসহ সবকিছু আগের মতোই নিরাপদ ও সক্রিয় থাকবে।

এ ছাড়া অ্যাপটি আপডেট করার সঙ্গে সঙ্গেই ‘মাই সার্কেল অ্যাপ’ চালু হয়ে যাবে, এবং বর্তমানে ব্যবহৃত সব ডিজিটাল সেবা কোনো বাধা ছাড়াই চলতে থাকবে। মূলত নামের পরিবর্তন হলেও সম্পর্কের গভীরতা ও আস্থার জায়গাটি অটুট থাকবে। যাঁরা আমাদের বোঝেন, পাশে থাকেন এবং যাঁদের সঙ্গে আমরা নিজের মতো থাকতে পারি, তাঁদের ঘিরেই সামনে এগিয়ে যাবে সার্কেল। প্রতিষ্ঠানটির অঙ্গীকার—রিয়েল কানেকশন সব সময় অন।