মিশিগানের ডেমোক্র্যাটিক সিনেট প্রাইমারিতে বড় ধরনের আর্থিক বৈষম্য সত্ত্বেও আশ্চর্যজনক ফলাফল দেখা গেছে। বাইরের সংগঠনগুলির কাছ থেকে প্রায় ৬০ মিলিয়ন ডলারের বেশি সমর্থন পেয়েও প্রতিনিধি হ্যালি স্টিভেনস পরাজিত হয়েছেন। অপরদিকে, তুলনামূলকভাবে ছোট প্রচার তহবিল নিয়েও জয়ী হয়েছেন আবদুল এল-সাঈদ। এই ঘটনা মধ্যবর্তী নির্বাচনে অর্থের প্রভাব নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। এল-সাঈদের জয় প্রমাণ করে যে, বিপুল অর্থ ব্যয় করা সত্ত্বেও ভোটারদের পছন্দের মাপকাঠিতে অর্থ সবসময়ই নির্ণায়ক ভূমিকা পালন করে না। বিশেষ করে বাইরের গ্রুপগুলির ব্যাপক ব্যয় সত্ত্বেও স্থানীয় ভোটারদের কাছে এল-সাঈদের বার্তা ও অবস্থান বেশি গ্রহণযোগ্য হয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। ফলে মধ্যবর্তী নির্বাচনে অর্থের প্রভাব কতটুকু তাৎপর্যপূর্ণ হবে, তা নিয়ে বিতর্ক আরও জোরদার হয়েছে।
প্রচুর অর্থ ব্যয় করেও হেরে গেলেন হ্যালি স্টিভেনস, জয় পেলেন আবদুল এল-সাঈদ
মিশিগানের ডেমোক্র্যাটিক সিনেট প্রাইমারিতে প্রতিনিধি হ্যালি স্টিভেনসের পক্ষে ৬০ মিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয় করেও বাইরের গোষ্ঠীগুলি তাকে জিতাতে পারেনি। জয় পেয়েছেন আবদুল এল-সাঈদ, যার প্রচার তহবিল ছিল অনেক ছোট।




