একটি বিরল জিনগত রোগ, লারন সিনড্রোম, ক্যান্সার প্রতিরোধের সম্ভাব্য উপায় হিসেবে গবেষকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। সম্প্রতি পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে সাধারণ মানুষের তুলনায় ক্যান্সারের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কম। এই রোগটি বৃদ্ধিজনিত সমস্যা সৃষ্টি করে এবং খুব কম সংখ্যক মানুষের মধ্যে দেখা যায়। গবেষকরা একটি নির্দিষ্ট যমজ সন্তানের ওপর নজর রেখে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন, যারা লারন সিনড্রোমে আক্রান্ত। তাঁদের শরীরে ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি রোধের প্রাকৃতিক ব্যবস্থা রয়েছে বলে প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, এই রোগের জিনগত বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করলে ক্যান্সার প্রতিরোধের নতুন ও কার্যকর পদ্ধতি তৈরি করা সম্ভব হতে পারে। লারন সিনড্রোমে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ক্যান্সারের কম প্রকোপের এই তথ্য চিকিৎসাবিজ্ঞানের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশনা হিসেবে কাজ করতে পারে। গবেষণাটি এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে, তবে ফলাফলগুলো ক্যান্সার গবেষণায় নতুন দিগন্ত উন্মোচনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
যমজ সন্তানের বিরল বৃদ্ধিজনিত রোগ ক্যান্সার প্রতিরোধের চাবিকাঠি হতে পারে: গবেষণা
লারন সিনড্রোমে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে সাধারণ জনগণের তুলনায় ক্যান্সারের প্রকোপ কম বলে গবেষণায় দেখা গেছে, যা ক্যান্সার প্রতিরোধের নতুন পদ্ধতি আবিষ্কারে সহায়ক হতে পারে।




