মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করতে পারেন, যার মাধ্যমে ইউক্রেনের বিরল খনিজ সম্পদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত হবে। এই চুক্তির বিনিময়ে ইউক্রেন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে আরও সহায়তা পাবে। ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের বলেন, 'আমরা ইউক্রেনের সঙ্গে একটি চুক্তি করতে যাচ্ছি, যেখানে তারা তাদের বিরল খনিজ ও অন্যান্য সম্পদের বিনিময়ে আমাদের যা দেওয়ার তা দেবে।' ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি গত সপ্তাহে এই ধারণার প্রতি সমর্থন জানিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, কিয়েভ 'বিনিয়োগকারী কোম্পানিগুলোর সঙ্গে একসঙ্গে এসব সম্পদ উন্নয়নে আগ্রহী, বিনামূল্যে দেওয়ার জন্য নয়।' ট্রাম্পের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো যখন ইউক্রেনে রুশ বাহিনীর অগ্রগতি অব্যাহত রয়েছে এবং তারা পূর্ব ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ শহর পোকরোভস্কের দিকে ধাবিত হচ্ছে। ট্রাম্প আরও বলেন, তিনি ইউক্রেনের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিতে ইউরোপীয় দেশগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করবেন। তিনি বলেন, 'আমি ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোকে বলব, তোমাদের সেখানে থাকতে হবে।' ট্রাম্প দাবি করেন, ইউক্রেন যুদ্ধে সহায়তার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপের তুলনায় ২০০ বিলিয়ন ডলার বেশি ব্যয় করেছে। তবে জার্মানির কিয়েল ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, ইউরোপ ইউক্রেনকে ৭০ বিলিয়ন ইউরো সহায়তা দিয়েছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র দিয়েছে ৪০ বিলিয়ন ইউরো।
মাসে ১৫৫ বিলিয়ন ডলার ঋণ নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, সপ্তাহে সুদ বাবদ খরচ ২৪ বিলিয়ন
চলতি অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ঘাটতি দাঁড়িয়েছে প্রায় ১.৪ ট্রিলিয়ন ডলার। বিপুল এই ঋণের সুদবাবদ প্রতি সপ্তাহে গুনতে হচ্ছে ২৩.৮ বিলিয়ন ডলার, যা প্রতিরক্ষা ও শিক্ষাসহ একাধিক মন্ত্রণালয়ের সম্মিলিত ব্যয়ের চেয়েও বেশি।




