নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় এক ব্যক্তির প্রাণহানি ঘটেছে। নিহত ব্যক্তির নাম মো. ফারুক (৫০), তিনি ওই উপজেলার সুন্দলপুর ইউনিয়নের উত্তর সুন্দলপুর গ্রামের বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত প্রায় ১১টায় সুন্দলপুর বিদ্যুৎ সাবস্টেশন সংলগ্ন একটি চায়ের দোকানে বসে চা পান করছিলেন ফারুক। এমন সময় হঠাৎ পেছন থেকে তার ওপর ছুরি নিয়ে হামলা চালানো হয়। এই হামলায় গুরুতর আহত হন তিনি। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কবিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে নোয়াখালীর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানকার চিকিৎসকেরা তার অবস্থা সংকটাপন্ন দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। তবে ঢাকায় নেওয়ার পথেই মৃত্যু হয় ফারুকের। এ ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে মো. আরশাদ প্রকাশ (২৮) ও তার সহযোগী মো. সাজ্জাদ হোসেন (১৮) নামে দুজনকে আটক করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, আরশাদ প্রকাশের বিরুদ্ধে আগে থেকেই মাদক কেনাবেচার অভিযোগ রয়েছে। ফারুক তাকে এই কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিতেন, যা নিয়ে তাদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা তৈরি হয়। এই বিরোধের জের ধরেই বুধবার রাতে চায়ের দোকানে ফারুকের ওপর হামলা চালানো হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। হামলার পর পালানোর চেষ্টা করলে স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত আরশাদকে আটক করে গণপিটুনি দেয়। তার সহযোগী সাজ্জাদকেও আটক করে রাখা হয়। পরে খবর পেয়ে কবিরহাট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুজনকে হেফাজতে নেয়। নোয়াখালীর পুলিশ সুপার এন এম নাসির উদ্দিন জানান, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিটি জব্দ করা হয়েছে এবং অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
নোয়াখালীতে চায়ের দোকানে ছুরিকাঘাতে এক ব্যক্তি নিহত, দুইজন আটক
নোয়াখালীর কবিরহাটে চায়ের দোকানে বসা অবস্থায় ছুরিকাঘাতে মো. ফারুক (৫০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। মাদক ব্যবসা থেকে বিরত রাখতে বলায় পূর্ব শত্রুতার জেরে এই হামলা বলে জানা গেছে। ঘটনায় অভিযুক্ত দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।




