চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় যাত্রীবাহী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গিয়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে এবং ছয়জন আহত হয়েছেন। রোববার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিরা ইউনিয়নের ইলিয়াস পেট্রলপাম্প এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। ওই সময় বাসটি চট্টগ্রাম থেকে নোয়াখালীর দিকে যাচ্ছিল। বাসের নাম জোনাকী পরিবহন বলে জানা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, বেপরোয়া গতির কারণে বাসটি সড়ক বিভাজকের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে উল্টে যায়। নিহত ব্যক্তির আনুমানিক বয়স ৩০ বছর, তবে তাঁর পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি। আহত ব্যক্তিরা হলেন রওশন আক্তার (৩৮), তাঁর ছোট ভাই মহিউদ্দিন (৩৩), মোহাম্মদ মান্নান (৩০) ও তাঁর স্ত্রী সোনিয়া আক্তার (২৫), অর্পিতা সাহা (২০) ও আরিফ মো. ইউসুফ (৫১)। দুর্ঘটনার পর কুমিরা ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক একজনকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রত্যক্ষদর্শী মো. সালাউদ্দিন জানান, ইলিয়াস পেট্রলপাম্প এলাকায় বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিকট শব্দে উল্টে যায়। এতে যাত্রীরা সড়কের ওপর উল্টে থাকা বাসের ছাদ ও ইঞ্জিনের মাঝখানে আটকা পড়েন। ফায়ার সার্ভিস দ্রুত এসে তাদের উদ্ধার করে। আহত অর্পিতা সাহার বাবা বাসুদেব সাহা বলেন, তাঁর মেয়ের আজ একটি চাকরি পরীক্ষা ছিল। সকালে জোনাকী পরিবহনের বাসে করে নোয়াখালী যাচ্ছিল সে। পথেই দুর্ঘটনায় পড়ে তাঁর মেয়ে। অর্পিতার হাত ও পায়ে গুরুতর জখম হয়েছে। বারআউলিয়া হাইওয়ে থানার এসআই মিল্টন মণ্ডল জানান, উদ্ধারকাজের সময় তারা আহত অবস্থায় কয়েকজনকে পান। পরে হাসপাতালে একজন মারা গেছেন বলে শুনেছেন। এছাড়া একই এলাকায় সকাল আটটার দিকে রয়েল সিমেন্ট গেটের কাছে অজ্ঞাত একটি গাড়ির ধাক্কায় মো. ইমন (২০) নামের এক পথচারী নিহত হন। বারআউলিয়া হাইওয়ে থানার সার্জেন্ট শামীম আলম জানান, নিহত ইমন মহাসড়কের ঢাকামুখী লেন থেকে চট্টগ্রামের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।