২০২৬ সালে জার্মানির উচ্চশিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে আগ্রহী আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন স্তর ও ভাষাভিত্তিক পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া আবশ্যক হতে পারে। শিক্ষার্থীর পছন্দের কোর্স, শিক্ষার স্তর এবং পাঠদানের ভাষার ওপর নির্ভর করে এই পরীক্ষাগুলোর ধরন নির্ধারিত হয়। কিছু ক্ষেত্রে আবেদনকারীদের অ্যাপটিটিউড টেস্ট বা একাডেমিক ইভ্যালুয়েশন সেন্টারের (এপিএস) সনদও জমা দিতে হতে পারে।

ইংরেজি মাধ্যমে পরিচালিত কোর্সে ভর্তির জন্য সাধারণত আইএলটিএস বা টোয়েফল পরীক্ষার স্কোর জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। অন্যদিকে, জার্মান ভাষায় পরিচালিত কোর্সে আবেদন করতে চাইলে টেস্টড্যাফ (TestDaF) বা ডিএসএইচ (DSH) পরীক্ষার মাধ্যমে ভাষায় দক্ষতা প্রমাণ করতে হবে। স্নাতক পর্যায়ে কিছু বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য টেস্টঅ্যাস (TestAS) নামক একটি অ্যাপটিটিউড পরীক্ষার ফলাফল চেয়ে থাকে।

বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত (এসটিইএম) বিষয়ের স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য অনেক সময় জিআরই পরীক্ষার স্কোর প্রয়োজন হয়। এ ছাড়া, বিভিন্ন ব্যবসায়িক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমবিএ ও ব্যবস্থাপনা-সংশ্লিষ্ট কোর্সে আবেদনের জন্য জিম্যাট স্কোর চাওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে ভর্তির শর্ত ভিন্ন হওয়ায়, পছন্দের প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট থেকে ভর্তি-সংক্রান্ত যোগ্যতা ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষার তালিকা ভালোভাবে যাচাই করে নেওয়া উচিত।

জার্মানির অনেক সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি মূল্যায়নে শিক্ষার্থীর আগের একাডেমিক ফলাফলকে প্রধান গুরুত্ব দেয়। তবে অতিরিক্ত পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় ও অধ্যয়ন কর্মসূচির প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে। তাই নির্দিষ্ট কোনো কোর্সে আবেদনের আগে সংশ্লিষ্ট বিভাগের নীতিমালা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া জরুরি।