রাজধানীর ওয়ারী থানায় দায়ের করা প্রতারণার মামলায় অবশেষে জামিনের অনুমতি পেলেন বহুল আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি। আজ মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালত শুনানি শেষে এক হাজার টাকা মুচলেকায় তার জামিন মঞ্জুর করেন। এই রায়ের ফলে তার বিরুদ্ধে থাকা তিনটি মামলার সব কটিতেই জামিন নিশ্চিত হলো।
এর আগে উচ্চ আদালত থেকে দুটি মামলায় জামিন পেলেও ওয়ারী থানার এই মামলায় জামিন না পাওয়ায় কারাগারেই ছিলেন তিনি। এবার সেই বাধাও কেটে গেল। তৌহিদ আফ্রিদির আইনজীবী ইকবাল মাহমুদ জানান, তার মক্কেলের বিরুদ্ধে মোট তিনটি মামলা ছিল। এর মধ্যে দুটিতে আগেই জামিন মিলেছিল। আজ তৃতীয় মামলাটিতেও জামিন পাওয়ায় জেল থেকে বের হতে আর কোনো আইনি জটিলতা রইল না।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১৩ জানুয়ারি একটি অনলাইন প্রতারক চক্র হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিগ্রামের মাধ্যমে ভুক্তভোগী সৈয়দা আশফাহ তোয়াহা দ্যুতির সঙ্গে যোগাযোগ করে। প্রথমে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে অল্প কিছু অর্থ ফেরত দিয়ে তার আস্থা অর্জন করা হয়। এরপর মুনাফার আশ্বাসে ধাপে ধাপে মোট দুই লাখ পঁয়ত্রিশ হাজার টাকা নেওয়া হয়, যা আর ফেরত দেওয়া হয়নি। প্রতারণার শিকার হয়ে অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে ওয়ারী থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী।
তদন্তের সময় তৌহিদ আফ্রিদিকে সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করে চলতি বছরের ১৫ জুন এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এর আগে ২০২৫ সালের ২৪ আগস্ট রাতে বরিশাল থেকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তাকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে একাধিক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে রিমান্ডে নেওয়া হয় এবং এর পর থেকেই তিনি কারাগারে ছিলেন। বর্তমানে জামিন পাওয়ায় তার মুক্তি প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।




