ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল সম্প্রতি ড্যাফোডিল গ্রুপ সফর করেছে। গত ৯ জুলাই অনুষ্ঠিত এই সফরের সময় উভয় পক্ষের মধ্যে শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় হয়। প্রতিনিধি দলে নেতৃত্ব দেন ব্রিটিশ কাউন্সিলের বাংলাদেশস্থ কান্ট্রি ডিরেক্টর স্টিফেন ফোর্বস। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ব্রিটিশ কাউন্সিল লন্ডনের চিফ রেভিনিউ অফিসার রবিন ক্লার্ক, দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ইংলিশ অ্যান্ড এক্সাম বিভাগের আঞ্চলিক ব্যবসা উন্নয়ন পরিচালক তালাল মিই এবং ঢাকায় ব্রিটিশ কাউন্সিলের ইংলিশ অ্যান্ড এক্সাম বিভাগের ব্যবসা উন্নয়ন পরিচালক তাহনী ইয়াসমিনসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
ড্যাফোডিল গ্রুপের পক্ষে আলোচনায় অংশ নেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ও বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান মো. সবুর খান। তাঁর সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং ড্যাফোডিল গ্রুপের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। ড্যাফোডিল গ্রুপের বিভিন্ন অঙ্গপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের বর্তমান কর্মকাণ্ড ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, ড্যাফোডিল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, ড্যাফোডিল ইনস্টিটিউট অব ল্যাঙ্গুয়েজেস এবং ড্যাফোডিল ফাউন্ডেশন।
প্রধান আলোচ্য বিষয় ছিল ইংরেজি ভাষা শিক্ষা, যোগাযোগ ও কর্মসংস্থান উপযোগী দক্ষতা উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক কর্মবাজারের চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করতে পারস্পরিক সহযোগিতার উপায়। এ লক্ষ্যে ব্রিটিশ কাউন্সিলের সঙ্গে কার্যকর অংশীদারত্ব গড়ে তোলার ওপর জোর দেন ড্যাফোডিল গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. সবুর খান।
সভায় মো. সবুর খান বলেন, বিশ্বায়নের যুগে ইংরেজি কেবল একটি ভাষা নয় বরং এটি আন্তর্জাতিক শিক্ষা, কর্মসংস্থান, উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও সহযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। তিনি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা উন্মোচনে ব্রিটিশ কাউন্সিলের সঙ্গে অংশীদারত্বকে গুরুত্ব দিচ্ছে ড্যাফোডিল গ্রুপ। তাঁর মতে, এই সহযোগিতা দেশের দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ব্রিটিশ কাউন্সিলের প্রতিনিধিরা ড্যাফোডিল গ্রুপের শিক্ষা কার্যক্রমের সমন্বিত রূপের প্রশংসা করেন। প্রাক্-প্রাথমিক স্তর থেকে স্কুল, কারিগরি শিক্ষা, উচ্চশিক্ষা, পেশাগত প্রশিক্ষণ ও সামাজিক উন্নয়ন—সবকিছু একই ছাতার নিচে আনার উদ্যোগকে তাঁরা ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করেন। এই সমন্বিত পদ্ধতি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি ধারাবাহিক শিক্ষা পরিবেশ তৈরি করে বলে তারা মত প্রকাশ করে।

